
আন্তর্জাতিক টেনিস ফেডারেশনের অনুমোদনক্রমে ও বাহরাইন টেনিস ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় আাগমী ১৮-২৪ নভেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত ইছা টাউন, বাহরাইনে ‘২০২৪ ডেভিস কাপ এশিয়া/ওশানিয়া গ্রুপ-৫’ টেনিস প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এতে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল আগামী ১৮ নভেম্বর ২০২৪ বাহরাইনের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শেষে ২৪ নভেম্বর ২০২৪ দেশে ফেরার জন্য রওনা দেবে বাংলাদেশ দল।
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবু সাঈদ মোহাম্মদ হায়দার, কোষাধ্যক্ষ ও বাংলাদেশ দলের ক্যাপ্টেন জনাব খালেদ আহমেদ, নির্বাহী সদস্য জনাব আখতারুজ্জামান মুকুল ও জনাব শেখ মো: আসলাম এবং ফেডারেশনের কাউন্সিলর জনাব ত্রিনাথ দাস।
আরও পড়ুন
| টেনিসে ইতিহাস গড়া মাসফিয়া এগিয়ে যেতে চান নতুনদের অনুপ্রেরণা হয়ে |
|
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় যে, এই টুর্নামেন্টে স্বাগতিক বাহরাইনসহ বাংলাদেশ, ভূটান, ব্রুনাই, লাওস, ম্যাকাও, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া, ইয়েমেন, নেপাল, তাজিকিস্তান, গুয়াম, তূর্কমেনিস্তান, নর্দার্ন ম্যারিনা আইল্যান্ড ও ফিলিপাইন ডেভিস কাপ দল অংশগ্রহণ করবে।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নিম্নবর্ণিত বাংলাদেশ দল গঠন করা হয়েছে।
জারিফ আবরার :
জনাব খালেদ আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ, বাংলাদেশ টেনিস ফেডারেশন (অধিনায়ক), সেনানিবাস অফিসার্স ক্লাব, ঢাকা, মো: হানিফ মুন্না - জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স, মোহাম্মদ রুস্তম আলী, আমেরিকান ক্লাব, ঢাকা, মো: দ্বীন ইসলাম - ইন্টারন্যশনাল ক্লাব, ঢাকা, মে: আলমগীর হোসেন - জাতীয় টেনিস কমপ্লেক্স।
আরও পড়ুন
| ঢাকায় শুরু হল ‘বাংলাদেশ আইটিএফ ওয়ার্ল্ড টেনিস মাস্টার্স ট্যুর’ |
|
আগামী ১৯ নভেম্বর ক্যাপ্টেনস মিটিং অনুষ্ঠিত হবে, ক্যাপ্টেনস মিটিং এ অংশগ্রহণকারী দলসমূহকে ৪টি গ্রুপে বিভক্ত করে রাউন্ড রবীন লীগ ভিত্তিতে গ্রুপ পর্যায়ের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তীতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নদের মধ্যে খেলার মাধ্যমে দুটি দলকে গ্রুপ-৪ এ উন্নীত করা হবে এবং দল দুটি ২০২৫ ডেভিস কাপ এশিয়া/ওশানিয়া অঞ্চল গ্রুপ-৪ এর প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে।
No posts available.
২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৮ পিএম
২২ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম
২০ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪৬ পিএম

জাতীয় আর্চারিতে স্বর্ণ পদক জয়ে লড়াইটা ছিল বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আর্চারদের মধ্যে। শেষ পর্যন্ত এই লড়াইয়ে জয়ী হয়ে বিমানবাহিনী।
চ্যাম্পিয়নশিপে এবার দেখা মিলেছে দুই জাতীয় রেকর্ডের। ১০ ইভেন্টের ফাইনালে সর্বোচ্চ পাঁচটি সোনা জিতেছে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চারটি নিজেদের করে নিয়েছে বিকেএসপি। বাকি একটি গেছে আনসারের দখলে।
টঙ্গী স্টেডিয়ামে আজ শুক্রবার রিকার্ভ পুরুষ এককে একই দলের সতীর্থ রাকিব মিয়াকে ৬-৫ সেট পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন রামকৃষ্ণ সাহা। মিশাদ প্রধানকে ৬-৪ সেট পয়েন্টে হারিয়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন আব্দুর রহমান আলিফ। পদক পাওয়া তিনজনই বিমানবাহিনীর।
রিকার্ভ নারী এককে মনিরা আক্তারকে ৭-৩ সেট পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন সোনালী রায়। ব্রোঞ্জ পাওয়া সায়মা সালাহউদ্দিন ৬-২ সেট পয়েন্টে হারান তৈয়বা আক্তার।
রিকার্ভ পুরুষ দলগত ইভেন্টে লড়াইয়ে বেশ জমে উঠে। টাইব্রেকারে বিমানবাহিনীকে ৫-৪ সেট পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতে বাংলাদেশ আনসার। ব্রোঞ্জ পেয়েছে বিকেএসপি।
রিকার্ভ নারী দলগত ইভেন্টেও গড়ায় টাইব্রেকারে। ৫-৪ সেট পয়েন্টে সেনাবাহিনীকে হারিয়ে সোনার হাসি হাসেন বিমানবাহিনীর আর্চাররা।
রিকার্ভ মিশ্র দলীয় ইভেন্টের ফাইনালে আর্চারি ক্লাব অফ ঢাকা মেট্রোকে ৬-০ সেট পয়েন্টে উড়িয়ে দিয়েছে বিমানবাহিনী। একই ব্যবধানে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে আনসারকে হারায় বিকেএসপি।
কম্পাউন্ড পুরুষ এককে নাওয়াজ আহমেদ রাকিবকে ১৪৭-১৪২ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন বিকেএসপির ঐশর্য রহমান। অভিজ্ঞ হিমু বাছাড় ১৪৩-১৩৭ পয়েন্টে তরিকুল ইসলাম তৌহিদকে হারিয়ে পান ব্রোঞ্জ।
কম্পাউন্ড নারী এককে লড়াই হয়েছে বেশ। বিমানবাহিনীর বন্যা আক্তারকে ১৪৪-১৪৩ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জেতেন বিকেএসপির কুলছুম আক্তার মনি। কম্পাউন্ড পুরুষ ও মিশ্র দলে বিকেএসপি ও নারী দলে বিমানবাহিনী জেতে সোনা।
টুর্নামেন্ট নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় আর্চারি দলের কোচ মার্টিন ফ্রেডরিখ বলেন,
‘সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমস লক্ষ্য রেখেই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। তা ভালোই হচ্ছে। মার্চে বছরের প্রথম এশিয়া কাপ আছে।’

রিয়া গোপ উইমেনস স্পোর্টস কমপ্লেক্সে হয়ে গেল এক ব্যাতিক্রমী ক্রীড়া আয়োজন ‘খেলার ডাক’। বাংলাদেশ উইমেন স্পোর্টস ফেডারেশনের আয়োজনে একসঙ্গে অংশ নিয়েছিল ২০০ শিশু ছেলে-মেয়ে।
এই আয়োজনে খেলাধুলার মাধ্যমে লিঙ্গসমতা, অন্তর্ভুক্তি ও পারস্পরিক সম্মানের বার্তা তুলে ধরা হয়। আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল খেলবেই বাংলাদেশ।
দেশের অনেক মেয়ে এখনও খেলাধুলার পর্যাপ্ত সুযোগ পায় না। আয়োজনে তাই বিশেষভাবে মেয়েদের অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে তাদের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিশুদের জন্য ‘সুস্থ নিশ্বাস’ নামে একটি সেশন আয়োজন করা হয়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসের কৌশল ও সহজ ব্যায়াম শেখানো হয়।
সার্টিফায়েড কোচদের তত্ত্বাবধানে শিশুরা ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যাডমিন্টন, টেনিস, টেবিল টেনিস, আর্চারি, বাস্কেটবল ও বক্সিংসহ বিভিন্ন খেলায় অংশ নেয়। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী সব শিশুকে মেডেল দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ উইমেন স্পোর্টস ফেডারেশনের সভাপতি ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন,
'শিশুরা যখন সমানভাবে একসঙ্গে খেলতে শেখে, তখন তারা ভবিষ্যতে সমতার মূল্যবোধ নিয়েই বড় হয়। ‘খেলার ডাক’ এমন একটি ভবিষ্যৎ গড়ার প্রচেষ্টা, যেখানে খেলা ও সুযোগ—দুটোই সবার জন্য।’

টঙ্গীর আর্চারি মাঠে চলছে জাতীয় আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ। চার দিনের টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা ছিল আজ। এদিন হয় রিকার্ভ ও কম্পাউন্ড এককের (নারী ও পুরুষ) এলিমিনেশন রাউন্ড। রিকার্ভ পুরুষ গোল্ড মেডেল এককের ফাইনাল ম্যাচে উন্নীত হয়েছেন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর রামকৃষ্ণ সাহা এবং মো. মিশাদ প্রধান।
একই বিভাগে ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচ খেলার জন্য টিকিট পেয়েছেন বিমান বাহিনীর হয়ে খেলা আব্দুর রহমান আলিফ। রিকার্ভ মহিলা এককের গোল্ড মেডেল ম্যাচে বিকেএসপির সোনালী রায় এবং সায়মা সালাহ উদ্দিন জিতেছেন। আর ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে উন্নীত হন বিকেএসপির আর্চার তাইয়্যেবা আক্তার।
কম্পাউন্ড পুরুষ একক ইভেন্টের গোল্ড মেডেল ম্যাচে বিকেএসপির ঐশ্বর্য রহমান ও বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের হয়ে খেলা নেওয়াজ আহমেদ রাকিব গোল্ড মেডেল ম্যাচে; বিমান বাহিনীর মো. তরিকুল ইসলাম তাওহিদ ও হিমু বাছাড় ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে উন্নীত হন।
কম্পাউন্ড মহিলা একক ইভেন্টের গোল্ড মেডেল ম্যাচে বিমান বাহিনীর বন্যা আক্তার ও বিকেএসপির কুলছুম আক্তার মনি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তানিয়া রীমা ও বিকেএসপির শ্রীপর্ণা বিশ্বাস ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে উন্নীত হন।
আগামীকাল শুক্রবার সকল দলগত ইভেন্টের এলিমিনেশন রাউন্ডের খেলা হবে। এরপর ২৪ জানুয়ারি শনিবার একক ইভেন্টের সকল মেডেল ম্যাচ হবে।

কাবাডি ফেডারেশনের কোষাধ্যক্ষ মনির হোসেন আর নেই। কাবাডির অঙ্গনে অত্যন্ত পরিচিত এই ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি যেকোনো অনুষ্ঠানে সর্বদা চোখে পড়ত। অ্যাডহক কমিটিতে এবার কোষাধ্যক্ষ হয়েছিলেন তিনি।
গতকাল মধ্যরাতে স্ট্রোকজনিত কারণে মনির হোসেন ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে কাবাডির এই নিবেদিতপ্রাণ সংগঠকের বয়স ছিল ৫৪ বছর।
মনির কেবল কাবাডি সংগঠকই ছিলেন না; ফুটবলের সঙ্গেও তার গভীর সম্পৃক্ততা ছিল। এক সময় তিনি রেফারিংও করতেন এবং পরবর্তীতে ফুটবল রেফারিজ অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন কমিটিতেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মনিরের আকস্মিক মৃত্যুর খবর কাবাডি ও ফুটবল অঙ্গনে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। কাবাডি ফেডারেশন তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। আজ সকালে মনিরের স্মৃতি বিজড়িত কাবাডি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে তাঁর প্রথম জানাজা।

বাংলাদেশে আর্চারির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এই ক্রীড়া সংগঠককে সংবর্ধনা দেয় মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৯৭৮ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার সন্ধ্যায় পর্যটন নগরী কক্সবাজারের একটি হোটেলে প্রীতি সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাঁকে সম্মান জানানো হয়। কাজী চপল মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১৯৭৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া কংগ্রেসের নির্বাচনে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থমাস হানকে ২৯–৯ ভোটে পরাজিত করে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন কাজী চপল। দেশের কোনো ক্রীড়া সংগঠকের এমন আন্তর্জাতিক সাফল্য দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিনিয়র ব্যাচের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন চপল। বক্তারা বলেন,
‘কাজী চপলের হাত ধরেই বাংলাদেশে আর্চারি একটি সংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানের খেলায় পরিণত হয়েছে। এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয় বরং দেশের জন্য গর্বের।’
কাজী চপল জানান, স্কুল জীবনের শৃঙ্খলা, শিক্ষক ও বড় ভাই-বোনদের অনুপ্রেরণাই তাকে আজকের অবস্থানে পৌঁছাতে সহায়তা করেছে। অনুষ্ঠান শেষে আয়োজন করা হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।