আগামী মাসে ১৯ বছর পূর্ণ হবে দাভিনা পেরিনের। নিজের জন্মদিনের আগে বিধ্বংসী এক ইনিংসে যেন উপলক্ষ্য রাঙানোর অগ্রীম আভাস দিলেন তরুণ ব্যাটার।। মাত্র ৪৩ বলে ১০১ রান করে রেকর্ড বইয়ে ঝড় তুললেন ইংল্যান্ডের এই টপ-অর্ডার।
দা হান্ড্রেডের নারীদের প্রতিযোগিতায় শনিবার রাতে নর্দার্স সুপার চার্জার্সের হয়ে এই ইনিংস খেলেন পেরিন। এলিমিনেটর ম্যাচে লন্ডন স্পিরিটের বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে দা হান্ড্রেডের ইতিহাসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন তিনি।
আরও পড়ুন
৫ উইকেটের আক্ষেপ নেই, সামনে হবে: তাসকিন |
![]() |
তিন অঙ্ক ছুঁতে ৪২ বল খেলেন পেরিন। দা হান্ড্রেড তো বটেই, স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের যে কোনো ব্যাটারের এটিই দ্রুততম সেঞ্চুরি। এর আগে ২০১৩ সালে সমারসেটের হয়ে ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন আনা শ্রাবসোল।
সব মিলিয়ে মেয়েদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এর চেয়ে কম বলে সেঞ্চুরি আর মাত্র দুটি- ২০২১ সালে ৩৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন নিউ জিল্যান্ডের সোফি ডিভাইন আর ২০১০ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেয়ান্দ্রা ডটিন তিন অঙ্কে পা রেখেছিলেন ৩৮ বলে।
পেরিনের সমান ৪২ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেস হ্যারিসের, ২০১৮ সালে। সবগুলো সেঞ্চুরিই ঘরোয়া টুর্নামেন্টে করা।
দা হান্ড্রেডে ছেলে-মেয়েদের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে পেরিনের চেয়ে দ্রুত সেঞ্চুরি আছে শুধু হ্যারি ব্রুকের। ২০২৩ সালে ৪২ বলে ১০৫ রানের ইনিংস খেলার পথে ৪১ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন ইংল্যান্ডের মারকুটে এই ব্যাটার।
পেরিনের সেঞ্চুরির দিনে নির্ধারিত একশ বলে ৫ উইকেটে ২১৪ রান করে সুপারচার্জার্স। মেয়েদের দা হান্ড্রেডে এটিই দলীয় সর্বোচ্চ। এর আগে কোনো দল ১৯০ রানও করতে পারেনি। ২০২৩ সালে ৩ উইকেটে ১৮১ রান করে রেকর্ড ছিল ওয়েলশ ফায়ারের।
আরও পড়ুন
দুর্দান্ত কামব্যাকের পর সাইফ বললেন, 'ভালোর শেষ নেই, কেবল শুরু' |
![]() |
ইনিংসের ২১ বল বাকি থাকতে রান আউট হন পেরিন। ৪৩ বলের ইনিংসে ১৫ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা মারেন ১৮ বছর বয়সী ব্যাটার। এছাড়া ১২ বলে ৩১ রানের ক্যামিও খেলে অপরাজিত থাকেন পাঁচ নম্বরে নামা নিকোলা ক্যারি।
রান তাড়ায় লন্ডন স্পিরিট ৯ উইকেট হারিয়ে করতে পারে ১৭২ রান। ২৯ বল খেলে দলের সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন জর্জিয়া রেডমেইন। দুই ইনিংস মিলিয়ে ম্যাচে হয় ৩৮৬ রান। দুই দলের ব্যাটাররা মিলে মারেন ৬৩টি বাউন্ডারি। দুটিই দা হান্ড্রেডের ইতিহাসের রেকর্ড।
লন্ডনকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে নর্দার্ন সুপারচার্জার্স। রোববার সন্ধ্যার ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ সাউদার্ন ব্রেভ।
১২ ঘণ্টা আগে
১২ ঘণ্টা আগে
১৩ ঘণ্টা আগে
১৩ ঘণ্টা আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
১০ দিন আগে
হারারেতে রোমাঞ্চকর প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ রানের হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে আজ দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নামার আগে দুঃসংবাদ পায় লঙ্কানরা। প্রথম ম্যাচে মন্থর ওভার রেটের কারণে পুরো দলকে জরিমানা করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।
আইসিসি জানিয়েছে, প্রথম ওয়ানডেতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক ওভার কম করেছিল শ্রীলঙ্কা। এ জন্য পুরো দলকে ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
খেলা শেষে আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রো শ্রীলঙ্কাকে জরিমানা করেন। আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের খেলোয়াড় এবং খেলোয়াড় সংশ্লিষ্টদের ২.২২ অনুচ্ছেদ অনুসারে সর্বনিম্ন ওভার রেটের শাস্তি হিসেবে ম্যাচ ফির ৫ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ক চরিত আসালাঙ্কা নিজেদের দোষ স্বীকার করে নেওয়ায় আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে লঙ্কানরা। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজ জয়ের সুযোগ তাদের।
বল হাতে ২ উইকেট আর ব্যাটিংয়ে ১৯ বলে ৩৬ রানের ঝড়ো ইনিংস। সাইফ হাসানের স্বপ্নের মতো প্রত্যাবর্তন বলাই যায়। বাংলাদেশ দলের সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীনের মতে, লম্বা সময়ের ধৈর্যের ফলই পাচ্ছেন সাইফ।
২০২১ সালের নভেম্বরে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয় সাইফের। দুটি ম্যাচ খেলে সেবার বাদ পড়েন দল থেকে। মাঝে ২০২৩ সালে হাংজু এশিয়ান গেমসে তিনটি ম্যাচ অবশ্য খেলেছিলেন। সেই ম্যাচগুলোর আন্তর্জাতিক মর্যাদাও ছিল। তবে সেটি বাংলাদেশের নিয়মিত ও মূল স্কোয়াড ছিল না।
আরও পড়ুন
সাকিবকে ছাড়িয়ে মুস্তাফিজের নতুন রেকর্ড |
![]() |
ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল সাইফের টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে। সাদা বলের ক্রিকেটারই মনে করা হতো তাঁকে। তবে লম্বা সময় পর যখন ফিরলেন, তখন দৃশ্যটা একদমই ভিন্ন। নিজেকে সব সংস্করণের জন্যই আদর্শ করে তুলেছেন এই অলরাউন্ডার।
সিলেটে কাল নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলতে নামবে বাংলাদেশ। তাঁর আগে আজ ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে সাইফের ভাঙা-গড়ার গল্প শোনালেন কোচ সালাহউদ্দীন, ‘আপনাদের আগেও অনুরোধ করেছি,কাউকে খুব তাড়াতাড়ি আকাশে তুলে দেবেন না, খুব তাড়াতাড়ি নিচে নামিয়েও দেবেন না। ভালো খেলেছে, প্রত্যাবর্তন করেছে, এট শক্ত মানসিকতার পরিচয়।’
সালাহউদ্দীনের মতে, ব্যাকফুটে চলে যাওয়া কেউ চাইলেই প্রত্যাবর্তন করতে পারে না। তাঁর ভাষায় সেই কঠিন কাজটি করেছেন সাইফ, ‘যেকোনো মানুষ যখন ব্যাকফুটে চলে যায়, সেখান থেকে সবাই বেরিয়ে আসতে পারে না। যেহেতু ওর সঙ্গে একটা তকমা ছিল- টেস্ট স্পেশালিস্ট, সাদা বলের খেলোয়াড়, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে যে চরিত্র দেখিয়েছে, এটা আসলে সবার ভেতর থাকে না।’
বলা যায়, চার বছর পর বাংলাদেশের মূল দলে সুযোগ পেয়েছেন ২৬ বছর বয়সী সাইফ। সালাহউদ্দীন মনে করেন, এত দিন ধৈর্য ধরা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। সাইফ ধৈর্যেরই সুফল পাচ্ছেন বললেন তিনি, ‘উন্নতি তো সব সময় করতে হবে। কিন্তু তার চেষ্টা ছিল, সে নিজেকে অন্য জায়গায় নিজেকে দেখতে চেয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রথম ৬-৭ ম্যাচে সে ব্যর্থ হয়েছে। সেখান থেকে মানসিভাবে আবার ঘুরে দাঁড়ানো এটা আসলে কঠিন কাজ। সে ধৈর্য ধরেছে। একজন মানুষ কত দিন ধৈর্য ধরে। সে গত ৪-৫ বছর ধরেছে। এ সুফল এখন সে পাচ্ছে, ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভালো করবে।’
জাতীয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থমকে যাওয়ার পর এখন বিশ্বজুড়ে নানান ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ খেলে বেড়াচ্ছেন সাকিব আল হাসান। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন কানাডার সুপার সিক্সটি। যেখানে মন্ট্রিয়ল টাইগার্সে খেলবেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সুপার সিক্সটিতে অংশগ্রহণকারী ছয় দলের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড ঘোষণা করেছে টুর্নামেন্টের আয়োজকরা। মন্ট্রিয়লের স্কোয়াডে সবার ওপরেই রাখা আছে বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার সাকিবের নাম।
আপাতত অ্যান্টিগা এন্ড বারবুডা ফ্যালকনসের জার্সিতে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) খেলছেন সাকিব। এর আগে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে গ্লোবাল সুপার লিগেও (জিএসএল) খেলেছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক।
মাঝে টি টেন ফরম্যাটের ম্যাক্স সিক্সটি ক্যারিবিয়ানে মায়ামি ব্লেজের হয়ে খেলেছিলেন সাকিব। এবার টি টেন ফরম্যাটের আরেকটি টুর্নামেন্টে নাম লিখিয়েছেন তিনি।
কানাডার ভ্যাঙ্কুবারে আগামী ৮ অক্টোবর শুরু হবে কানাডা সুপার সিক্সটি টুর্নামেন্ট। ছয় দল ও ছয় দিনের আসরের পর্দা নামবে ১৩ অক্টোবর।
সাকিব ছাড়াও বিশ্বের অনেক বড় বড় তারকা খেলবেন এই টুর্নামেন্টে। মন্ট্রিয়ল টাইগার্সে সাকিবের সতীর্থ হিসেবে আছেন ইশুরু উদানা, জশ ব্রাউন, অ্যান্ড্রু টাই, টম মুরসরা।
এছাড়া বিভিন্ন দলে নাম লিখিয়েছেন দাভিদ মালান, ক্রিস লিন, শোয়েব মালিক, অ্যালেক্স হেলস, জেসন রয়, রহমানউল্লাহ গুরবাজ, কুইন্টন ডি কক, মার্টিন গাপটিল, ডেভিড ভিসা, রাসি ফন ডার ডুসেন, মইন আলি, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, ইমরান তাহির, সিকান্দার রাজার মতো বিশ্ব তারকারা।
৩১ আগস্ট ২০২৫, ২:৪২ পিএম
সংবাদ সম্মেলনের নির্ধারিত সময়ে হাজির নেদারল্যান্ডসের মিডল-অর্ডার ব্যাটার নোয়াহ ক্রোয়েস। প্রশ্নোত্তর পর্ব পরিচালনার জন্য তার সঙ্গী মিডিয়া ম্যানেজার কোরি রুটগারস। সাধারণত এমনটাই হয়ে থাকে যে কোনো সংবাদ সম্মেলনে। একজন ক্রিকেটারকে সঙ্গে নিয়ে আসেন মিডিয়া ম্যানেজার।
কিন্তু ব্যতিক্রম রোববারের এই সংবাদ সম্মেলন। কারণ ক্রোয়েস আর রুটগারসের পিছু পিছু চলে এলেন ম্যাক্স ও’ডাউড। তবে উত্তরদাতা নয়, ডাচ ওপেনার বসলেন প্রশ্নকর্তা অর্থাৎ সংবাদকর্মীদের নির্ধারিত আসনে। সেখান থেকেই সাংবাদিক পরিচয়ে একাধিক প্রশ্ন করলেন সতীর্থ ক্রোয়েসকে।
মিডিয়া ম্যানেজার রুটগারসও যেন মজা পেলেন ও’ডাউডের কাণ্ডে। তাই প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরুর আগে তিনি সবাইকে জানিয়ে দিলেন, ‘হ্যালো বন্ধুরা, ম্যাক্স আজকে আমাদের সঙ্গে সাংবাদিক হিসেবে যোগ দিয়েছে।’
নতুন এই পরিচয় পাওয়ার পর ও’ডাউডকে দেখে একজন যে কেউ চাইলে বলতেই পারেন ‘এক অঙ্গে কত রুপ।’ কারণ তার মূল পরিচয় এখন নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের ক্রিকেটার। এর পাশাপাশি গানের ডিজে (ডিস্ক জকি) হিসেবেও পরিচিতি আছে তার।
এমনকি নিজের ইউটিউব চ্যানেল খুলে বিভিন্ন ভ্লগিংও করে থাকেন ও’ডাউড। চ্যানেলটি তিনি মূলত খুলেছিলেন ২০০৯ সালে। তবে নিয়মিত ভিডিও আপলোড করেন না সেভাবে। তবে বাংলাদেশের আসার পর ‘নতুন শুরু’ শিরোনামে ভ্লগ আপলোড করেছেন তিনি।
ক্রোয়েসের সংবাদ সম্মেলনেও ও’ডাউড আসেন একটি ‘গো প্রো’ ক্যামেরা হাতে নিয়ে। সেই ক্যামেরায় রেকর্ড করতে করতেই ক্রোয়েসের জন্য প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ও’ডাউড। ক্রোয়েসের ডাকনাম ‘টঙ্কার’র রহস্য জানতে চান তিনি।
হাসিমুখে উত্তর দেন ক্রোয়েস।
“ধন্যবাদ ম্যাক্স। আমার পাশে থাকার বদলে তোমাকে সাংবাদিকদের কাতারে দেখে ভালো লাগছে। তুমি জানো আমাদের মিডিয়া ম্যানেজার এই নামটি দিয়েছে। একসময় সে আমাকে ‘ট্রাকস’ ডাকত, বলত আমি নাকি এমএলবি (মেজর লিগ বেসবল) স্লগারের মতো ব্যাট করি। পরে সেটা বদলে গিয়ে হলো ‘টংকার’। এখন মনে হচ্ছে তুমি এই নামের যোগ্য উত্তরসূরী।”
উত্তর পেয়ে খুশি হয়ে যান ও’ডাউড। কিছুক্ষণ পর ক্রোয়েসকে আরেকটি প্রশ্ন করেন তিনি। যেখানে জানতে চান, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ক্রোয়েসের সবচেয়ে পছন্দের কে? উত্তরে মুস্তাফিজুর রহমানের নাম বলেন মিডল-অর্ডার ব্যাটার।
“ভালো একটা প্রশ্ন করেছ, ম্যাক্সি। আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা যায়, তবে আমার মনে হয় মুস্তাফিজুর রহমানকে এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। আমি তাকে গত বছর ২০২৪ বিশ্বকাপে বোলিং করতে দেখেছি, আর মুস্তাফিজের মুখোমুখি হওয়াটা সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল।”
চলতি বছর বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের জন্য এক ধরনের 'লাকি চার্ম' হয়ে গেছেন মুস্তাফিজুর রহমান। তিনি একাদশে থাকলেই টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতে বাংলাদেশ। আর সেই ধারায় সাকিব আল হাসানকে টপকে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ডও গড়ে ফেলেছেন মুস্তাফিজ।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ৫৩টি জয়ের ম্যাচে একাদশে ছিলেন মুস্তাফিজ। দেশের হয়ে এটিই সর্বোচ্চ জয়ের রেকর্ড। ১১২ ম্যাচ খেলে এই সাফল্য পেয়েছেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসার।
এতদিন ধরে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জেতার সাক্ষী ছিলেন সাকিব। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্যারিয়ারে ১২৯ ম্যাচ খেলে ৫২টিতে দলকে জিততে দেখেছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে তাকে ছাড়িয়ে গেছেন মুস্তাফিজ।
আরও পড়ুন
‘লিটনের ভালো খেলা দলের জন্য জরুরি’ |
![]() |
বাংলাদেশের হয়ে টি-টোয়েন্টি জয়ের ফিফটি নেই আর কোনো ক্রিকেটারের। তবে খুব কাছেই আছেন লিটন কুমার দাস। ১০৮ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত দলকে ৪৯ ম্যাচে জিততে দেখেছেন বাংলাদেশের বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
এরই মধ্যে অবসর নিয়ে ফেলা মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৪১ ম্যাচে পেয়েছিলেন ৪৯ জয়ের দেখা। এছাড়া ৩০ বা এর বেশি জয় আছে মুশফিকুর রহিম (৩৭), সৌম্য সরকার (৩৩), তাসকিন আহমেদ (৩৩) ও আফিফ হোসেন ধ্রুবর (৩০)।
নতুন রেকর্ড গড়ার পথে চলতি বছর দলে নিজেকে অপরিহার্যও প্রমাণ করে তুলেছেন মুস্তাফিজ। এই বছর এখন পর্যন্ত ১৩ ম্যাচ খেলে ৬টি জিতেছে বাংলাদেশ। এই ৬টিতেই একাদশে ছিলেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার। তাকে বাইরে রেখে খেলা ৭ ম্যাচের একটিতেও জিততে পারেনি বাংলাদেশ।
সব মিলিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি জয়ের রেকর্ড ভারতের রোহিত শর্মার। ১৫৯ ম্যাচের ক্যারিয়ারে ১০৯টি ম্যাচে দলকে জিততে দেখেছেন দেশটির সাবেক অধিনায়ক। আর কোনো ক্রিকেটারের একশ জয় নেই।