
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে ‘সুপার এইটে’ যাওয়া নিশ্চিতই ছিল ভারতের। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি ছিল কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচটি সহজেই জিতল ভারত।
আহমেদাবাদে নরেদ্রো মোদি স্টেডিয়ামে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে আজ ১৭ রানে জিতেছে ভারত। প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৯৩ রান করে ভারত। জবাবে সব ওভার খেলে ৭ উইকেটে ১৭৬ রানে থামে ডাচরা। ম্যাচসেরা হন ৪ চার ও ৬টি ছক্কায় ৩১ বলে ৬৬ করা শিবাম দুবে।
গ্রুপ ‘এ’ থেকে চার ম্যাচের চারটিতেই জেতা ভারতের সুপার এইটে প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোববার গ্রুপ ‘ওয়ান’-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবের দল মুখোমুখি হবে প্রোটিয়াদের।
রান তাড়ায় নেদারল্যান্ডসের টপ অর্ডারের ব্যাটাররা থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। দুই ওপেনার মাইকেল লেভিট ও ম্যাক্স ও’দৌদ করেন যথাক্রমে ২৪ ও ২০ রান। এরপর তৃতীয় উইকেট কলিন আকারম্যান ও আরিয়ান দত্তের ব্যাটে সাবলীল গতিতেই এগোচ্ছিল ডাচরা। তবে তাদের ৪৩ রানের জুটি শেষ হতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে নেদারল্যান্ডস।
১৩তম ওভারে বরুণ চক্রবর্তী টানা দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন। আকারম্যানকে রিংকু সিংয়ের ক্যাচ বানানোর পর আরিয়ানকে বোল্ড করেন এই রহস্য স্পিনার। ১৪তম ওভারে বাস ডি লিডকে ফেরান দুবে। ২৩ বলে ৩৩ করা ২৬ বছর বয়সী ডানহাতি ব্যাটারই ছিলেন ডাচদের ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। শেষ দিকে লোয়ার অর্ডারের ব্যাটাররা কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে।
৩ ওভারে ১৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী। শিবার দুবের শিকার দুটি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ভারত আরও একবার নিজেদের সেরা ব্যাটারের ‘ব্যাটিং শো’ থেকে বঞ্চিত হয়। আরিয়ান দত্তের প্রথম দুটি বল থেকে ডট দেওয়া পর তৃতীয়টিতে আউটই হয়ে যান অভিষেক শর্মা। দুর্দান্ত ছন্দে থেকে বিশ্বকাপ খেলতে আসা মারকুটে এই ব্যাটার মুদ্রার উল্টো পিটও দেখলেন।
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এ নিয়ে টানা তিন ম্যাচে কোনো রান না নিয়েই বাইশগজ ছাড়লেন ভারতের ২৫ বছর বয়সী ওপেনার। বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার বিরল বিব্রতকর রেকর্ড গড়েন অভিষেক।
শূন্য রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর পাওয়ার প্লেতে আরেকটি উইকেট হারায় ভারত। পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হওয়া ইশান কিষাণ ২ চার ও এক ছক্কায় ৭ বলে ১৮ রান করে ফিরেন। পাওয়ার প্লে শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ৫১/২।
তৃতীয় উইকেটে সূর্যকুমার যাদব-তিলক ভার্মার জুটি থেকে আসে ৩০ রান। ২৭ বলে ৩১ করা তিলক ফন বিকের শিকার হলে শেষ হয় এই জুটি। ১৩.৩ ওভারে অধিনায়ক সূর্যকুমার যখন কাইল ক্লেইনের বলে ক্যাচ আউট হন, ভারতের রান তখন ১১০। তারপর শিবাম দুবের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মনে হচ্ছিল দুইশো স্পর্শ করবে ভারতের সংগ্রহ।
পঞ্চম উইকেটে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে ৪১ বলে ৭৬ রানের জুটি গড়া দুবে ফন বিকের দ্বিতীয় শিকার হওয়ার আগে খেলেন ৩১ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। অপরপ্রান্তে পান্ডিয়ার ব্যাট থেকে আসে ২১ বলে ৩০ রান।
নেদারল্যান্ডসের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে খরুচে লগান ফন বেকই নেন সর্বোচ্চ উইকেট। ৪ ওভারে ৫৬ রান দিয়ে তিন উইকেট শিকার ডানহাতি পেসারের। কিপটে ছিলেন ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে দুটি নেওয়া আরিয়ান দত্ত।
No posts available.
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:০২ পিএম
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:১২ পিএম
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৩ এম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আগেই সুপার এইট নিশ্চিত করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। নিয়মরক্ষার ম্যাচে ইতালিকে ৪২ রানে হারিয়ে গ্রুপ পর্বের সবগুলো ম্যাচ জিতে সুপার এইটে পা রাখল ক্যারিবিয়রা।
আজ আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৬৫ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ১৮ ওভারে ১২৩ রানে গুটিয়ে যায় ইতালি।
কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠায় ইতালি। ৩১ রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুটা ভালো হয়নি উইন্ডিজের। তৃতীয় উইকেটে ৬৪ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন রোস্টন চেজ ও শাই হোপ। এক প্রান্ত আগলে রেখে ২৮ বলে ফিফটি তুলে নেন ওপেনিংয়ে নামা হোপ।
চেজ ২৫ বলে ২৪ রান করে ফিরে যান বেন মানেত্তির বলে। খানিক পর রোভমান পাওয়েলকে ফেরান তিনি। পরের ওভারে ক্রিশান কালুগামেজের বলে বোল্ড হয়ে ফিরে যান চেজ। তাঁর ৪৬ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে ছিল ৪ টি চার ও ৬ টি ছক্কার মার।
শেষদিকে শেফার্নে রাদারফোর্ডের ১৫বলে ২৪ ও ম্যাথিউ ফোর্ডের ৮ বলে ১৬ রানের ক্যামিওতে লড়াকু পুঁজি পায় উইন্ডিজ।
শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইতালি। এন্টনি মসকা (১৯), জেজে স্মাটস (২৪), বেন মানেত্তি (২৬) ভালো শুরু করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষ হওয়ার আগেই অলআউট হয়ে যায় প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে আসা দেশটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে শামার জোসেফ ৪ টি, ম্যাথিউ ফর্ডে ৩টি ও গুদাকেশ মোতি ২ উইকেট নেন। ম্যাচসেরা হয়েছেন শাই হোপ।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নতুন বছরের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে শীর্ষ ক্যাটাগরি ‘এ প্লাসে’ নেই কোনো ক্রিকেটার। ‘এ প্লাস’ বাদ দিয়ে এ, বি, সি ও ডি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে জাতীয় দল ও আশপাশে থাকা ২৮ জন ক্রিকেটারকে।
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বৃহস্পতিবার বিকেলে ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সময়কালের জন্য কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে বিসিবি। গত বছর এই কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ছিলেন ২২ জন ক্রিকেটার। এবার বাড়ানো হয়েছে আরও ৬ জন।
চলতি বছরের জন্য ‘এ’ ক্যাটাগরিতে মাসিক পারিশ্রমিক ৮ লাখ টাকা। এভাবে পর্যায়ক্রমে ‘বি’, ‘সি’ ও ‘ডি’ ক্যাটাগরির পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে যথাক্রমে ৬ লাখ, ৪ লাখ ও ২ লাখ টাকা। সর্বোচ্চ ১০ লাখের ক্যাটাগরিতে নেই কেউ।
২০২৫ সালের চুক্তিতে একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে সর্বোচ্চ ‘এ প্লাস’ ক্যাটাগরিতে ছিলেন তারকা পেসার তাসকিন আহমেদ। তবে এবার তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘এ’ ক্যাটাগরিতে। যেখানে তার সঙ্গী তিন সংস্করণের তিন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন কুমার দাস।
এবারের চুক্তিতে ‘সি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘বি’তে উন্নীত হয়েছেন রিশাদ হোসেন, তানজিদ হাসান তামিম, শেখ মেহেদি হাসান ও সাদমান ইসলাম। এছাড়া ‘ডি’ ক্যাটাগরি থেকে ‘সি’তে আনা হয়েছে নাসুম আহমেদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদকে।
প্রথমবারের মতো বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে জায়গা পেয়েছেন সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, হাসান মুরাদ, তানভির ইসলাম। এছাড়া চুক্তিতে জায়গা ফিরে পেয়েছেন নাঈম হাসান, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান।
অবসর নেওয়ায় গত বছরের ফেব্রুয়ারিই কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ পড়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
২০২৬ সালের বিসিবি কেন্দ্রীয় চুক্তি
‘এ প্লাস’ (১০ লাখ)
কেউ নেই
‘এ’ (৮ লাখ)
নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, লিটন কুমার দাস, তাসকিন আহমেদ
‘বি’ (৬ লাখ)
মুশফিকুর রহিম, মুমিনুল হক, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাওহিদ হৃদয়, সাদমান ইসলাম, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা
‘সি’ (৪ লাখ)
সৌম্য সরকার, জাকের আলি অনিক, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, নাসুম আহমেদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদ
‘ডি’ (২ লাখ)
সাইফ হাসান, পারভেজ হোসেন ইমন, তানভির ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ, শামীম হোসেন, কাজী নুরুল হাসান সোহান

শ্রীলঙ্কা–জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচকে ঘিরে বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিশেষ নিরাপত্তা ও যান চলাচল ব্যবস্থার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তাদের মতে, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতোই সমান গুরুত্ব পাচ্ছে এই ম্যাচ।
গ্রুপ ‘বি’-র এই ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকেল সাড়ে ৩টায়। দর্শকদের জন্য স্টেডিয়ামের গেট খুলে দেওয়া হয় দুপুর সাড়ে ১২টায়।
কলম্বোয় এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাফিক কন্ট্রোল ও রোড সেফটির দায়িত্বে থাকা পুলিশের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল ডব্লিউ.পি.জে. সেনাধীরা অনুরোধ করেন, দর্শকরা সময়ের আগেই স্টেডিয়ামে পৌঁছান। তার ভাষায়, আগেভাগে এলে যানজট কমবে, নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সহজ হবে।
সেনাধীরা বলেন, “ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময় যে বিশেষ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক পরিকল্পনা কার্যকর ছিল, আজকের ম্যাচেও ঠিক একই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমরা বিশেষভাবে অনুরোধ করছি, দর্শকরা যেন সাড়ে ১২টা থেকেই আসতে শুরু করেন।”
পুলিশ জানিয়েছে, সাড়ে ১২টা থেকে স্টেডিয়ামের আশপাশের একাধিক সড়কে পার্কিং সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। ম্যাচ চলাকালে স্টেডিয়ামমুখী সড়কগুলোতে যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।
দর্শকদের জন্য ৬টি নির্ধারিত পার্কিং এলাকা রাখা হয়েছে। স্টেডিয়ামের নিজস্ব কার পার্ক (১৬৫টি গাড়ির ধারণক্ষমতা) সংরক্ষিত থাকবে ভিআইপি, ভিভিআইপি পাসধারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য।
এছাড়া সাথোসা মাঠ ও রেলওয়ে ইয়ার্ডে প্রায় ৫০০টি হালকা যানবাহন (গাড়ি, ভ্যান, মোটর সাইকেল ও তিন চাকার যান) পার্ক করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেবাস্টিয়ান ক্যানাল রোডে (প্রথম সেতু থেকে দ্বিতীয় সেতু পর্যন্ত) ৮০টি, অ্যাপলওয়াট্টেতে ১৫০টি, কোভিল রোডে ২০০টি এবং আদি সেয়া রোডের দুই পাশে প্রায় ১৫০টি যানবাহন পার্ক করা যাবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ম্যাচ চলাকালে জননিরাপত্তা নিশ্চিত ও ভোগান্তি কমাতে সবাইকে ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলতে এবং নির্ধারিত পার্কিং এলাকাই ব্যবহার করতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে।

ম্যাচ চলাকালেই নেমে এল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। ভারতের উত্তর প্রদেশের কানপুরে একটি বয়সভিত্তিক ক্রিকেট ম্যাচে হঠাৎ মৌমাছির আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছেন এক আম্পায়ার। আহত হয়েছেন আরও অনেকে; তাদের কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রাণ হারানো আম্পায়ারের নাম মানিক গুপ্ত (৬৫)। দীর্ঘদিন ধরে কানপুর ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বুধবার কানপুরের একটি স্টেডিয়ামে অনূর্ধ্ব-১৩ দলের ম্যাচে আম্পায়ারিং করার সময় হঠাৎ মৌমাছির ঝাঁক মাঠে ঢুকে পড়ে।
ওই মুহূর্তে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সবাই যে যেদিকে পারে ছুটে নিরাপদ আশ্রয় নিতে থাকেন। তবে গুরুতরভাবে আহত হন মানিক গুপ্ত।
প্রথমে তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
প্রায় তিন দশক ধরে কানপুর ক্রিকেট অঙ্গনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মানিক। স্থানীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ের বহু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তার মৃত্যুতে কানপুরের ক্রিকেট মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একই ঘটনায় আরেক আম্পায়ার জগদিশ শর্মাও গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে আহত আরও অনেকের মত আপাতত শঙ্কামুক্ত আছেন তিনি।
ভারতের ক্রিকেটে এমন ঘটনা এই প্রথম নয়। ২০১৯ সালে ত্রিভ্যান্ড্রামে ভারত ‘এ’ ও ইংল্যান্ড লায়ন্সের মধ্যকার এক দিনের ম্যাচ চলাকালেও মৌমাছির আক্রমণে খেলা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেবার অনেকেই আহত হলেও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

সমালোচনার জবাবটা আগে দিলেন মাঠে, তারপর কথায়ও ছাড়লেন না শাদাব খান। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পারফরম্যান্স নিয়ে সাবেকদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে আর চুপ থাকলেন না পাকিস্তানি অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
দেশের সাবেক দুই তারকা শহিদ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ ইউসুফের বক্তব্যের পাল্টা জবাবে লেগ স্পিনিং এই অলরাউন্ডার মনে করিয়ে দিলেন, ২০২১ সালের ঐতিহাসিক ভারত–জয়ের কথা।
গত রোববার কলম্বোতে ভারতের কাছে হারের পর সাবেক অধিনায়ক আফ্রিদি প্রকাশ্যে বলেন, বাজে পারফরম্যান্সের কারণে বাবর আজম, শাহিন আফ্রিদি ও শাদাব খানকে একাদশের বাইরে রাখার কথা ভাবা উচিত।
আরও পড়ুন
| দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও জিততে পারল না আর্সেনাল |
|
একই সুরে ইউসুফও বলেন, বাবর, আফ্রিদি ও শাদাবদের সময় ফুরিয়েছে। এখন বেঞ্চের শক্তি পরখ ও তরুণদের সুযোগ দেওয়া দরকার।
বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচ জিতে পাকিস্তানের সুপার এইট নিশ্চিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে সাবেক ক্রিকেটারদের সমালোচনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সরাসরিই পাল্টা জবাব দেন শাদাব।
“আমাদের সাবেক ক্রিকেটারদের নিজেদের ভাবনা ও মত আছে। তারা পাকিস্তানের জন্য অনেক কিছু করেছেন। কিন্তু সত্যিটা হলো, বিশ্বকাপে তারা কখনও ভারতের বিপক্ষে জিততে পারেননি। আমরা পেরেছি, ২০২১ সালের (টি-টোয়েন্টি) বিশ্বকাপে।”
“বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে আমাদের একমাত্র জয় ওই একটিই। তারা কিংবদন্তি, তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে উল্লেখযোগ্য কিছু তারা করতে পারেননি।”
২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়েছিল পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে বাবর আজমের নেতৃত্বে সেটিই ছিল বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের প্রথম জয়।
নামিবিয়ার বিপক্ষে শাদাবের দিন ছিল স্মরণীয়। ব্যাটিংয়ে ২২ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলার করার পর বল হাতে নেন ৩ উইকেট, সঙ্গে আউটফিল্ডে একটি ক্যাচ- সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন ম্যাচের সেরাদের একজন।
এমন পারফরম্যান্সের পর নিজেকে ঘিরে চলা সমালোচনার ব্যাপারে অবশ্য শান্ত ও স্পষ্ট উত্তর দেন শাদাব।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থতায় হেইডেনের কণ্ঠে হতাশা |
|
“সমালোচনা নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। সবাই নিজের মতো করে ভাববে। আমি ফিরে আসার পর একটা ওভার খারাপ গিয়েছিল- সেটার জন্যই এত কথা। কিন্তু আমাকে কিছু প্রমাণ করতে হবে না।”
“টি-টোয়েন্টিতে খারাপ দিন আসতেই পারে। রান দিতে পারেন, আবার উইকেটও নিতে পারেন। আমি যেটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি, সেটাতেই মন দিই।”