১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩২ এম

একের পর এক জীবন পেয়ে অপরাজিত ফিফটি করলেন সেদিকউল্লাহ অতল। শেষ দিকে নেমে ঝড় তুললেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই, গড়লেন দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। তাদের দুজনের ব্যাটে বড় পুঁজি পেল আফগানিস্তান। যার কোনো জবাবই দিতে পারল না হংকং।
আবু ধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচে হংকংকে ৯৪ রানে হারায় আফগানিস্তান। মঙ্গলবারের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে ১৮৮ রান করে রশিদ খানের দল। জবাবে ৯ উইকেত হারিয়ে আফগানদের ঠিক অর্ধেক অর্থাৎ ৯৪ রানে থামে হংকং।
টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপে এর চেয়ে বড় জয় আছে আর দুইটি। ২০২২ সালে হংকংকে ১৫৫ রানে হারিয়েছিল পাকিস্তান। একই আসরে ভারতের কাছে ১০১ রান হেরেছিল আফগানিস্তান।
আরও পড়ুন
| ভারত-পাকিস্তানকে অঘটনের হুঙ্কার আমিরাত অধিনায়কের |
|
বড় দলগুলোকে হারানোর বিশ্বাস নিয়ে খেলতে আসা হংকং ম্যাচজুড়ে শুধু ভুলই করে গেছে। ফিল্ডিংয়ে তারা ছেড়েছে ৫টি ক্যাচ। এশিয়া কাপে একই ইনিংসে এটিই সর্বোচ্চ ক্যাচ মিসের রেকর্ড। এর মধ্যে অতল একাই পেয়েছেন তিনবার জীবন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাওয়ার প্লের মধ্যে রান আউট হন হংকংয়ের দুই ব্যাটার। এত এত ভুলের মাশুল দিয়ে ম্যাচে তাদের পরাজয়ের ব্যবধানটাও তাই বেশ বড়।
ভুলের সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি অতল, ওমরজাইরা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেলে ৫২ বলে ৭৩ রান করেন ২৪ বছর বয়সী ওপেনার। আর ছয় নম্বরে নেমে মাত্র ২১ বলে ৫৩ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন ওমরজাই।
আরও পড়ুন
| এসএটোয়েন্টিতে ৩৫ লাখে দল পেলেন তাইজুল, অবিক্রিত বাকিরা |
|
বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা মেরে মাত্র ২০ বলে ফিফটি করেন ওমরজাই। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের হয়ে এটি দ্রুততম ফিফটি। গত বছর ভারতের বিপক্ষে গুলবদিন নাইব ও ২০১৭ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মোহাম্মদ নবী ২১ বলে করেছিলেন ফিফটি।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের শুরু তেমন ভালো ছিল না। ২৬ রানের মধ্যে ড্রেসিং রুমে ফিরে যান রহমানউল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। তৃতীয় উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন নবী ও অতল।
২৬ বলে ৩৩ রান করে আউট হন নবী। নাইবও ফেরেন দ্রুত।
১৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৯৫ রান থাকা অবস্থায় ব্যাটিংয়ে যান ওমরজাই। পঞ্চম উইকেটে অতলকে নিয়ে মাত্র ৩৫ বলে তিনি গড়েন ৮২ রানের জুটি। এশিয়া কাপে পঞ্চম উইকেট বা এর পর এটি সর্বোচ্চ জুটির রেকর্ড।
আরও পড়ুন
| কাকা-রোনালদিনিয়োদের সাথে খেলবেন বেল |
|
২০১৬ সালের আসরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ৭০ রানের জুটি গড়েছিলেন পাকিস্তানের শোয়েব মালিক ও সরফরাজ আহমেদ।
ওমরজাই ও অতলের জুটিতে শেষ ৪ ওভারে ৬৯ রান যোগ করে আফগানিস্তান। যা তাদের নিয়ে যায় হংকংয়ের ধরাছোঁয়ার বাইরে।
হংকংয়ের পক্ষে ২ উইকেট নিতে ৪ ওভারে ৫৪ রান খরচ করেন আয়ুশ শুকলা। কিঞ্চিত শাহ ৩ ওভারে ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।
হংকংয়ের পেসারদের ওপরই মূল ঝড় বইয়ে দেন আফগান ব্যাটাররা। পেসারদের ৯ ওভারে ১১২ রান করে তারা। বিপরীতে ১১ ওভারে মাত্র ৭৫ রান খরচ করে স্পিনাররা।
রান তাড়ায় একবারের জন্যও জয়ের কোনো আশা জাগাতে পারেনি হংকং। প্রথম ওভারেই আনশুমান রাঠকে আউট করেন ফজলহক ফারুকি। রিপ্লেতে অবশ্য দেখা যায় আনশুমানের ব্যাটে লাগেনি বল। কিন্ত রিভিউ না নেওয়ায় উইকেট বাঁচাতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন
| এয়ারপোর্ট বন্ধ, তারপরও ফেরার বিমান খুঁজছেন বাংলাদেশ দলের ফুটবলাররা |
|
পরের ওভারে আরেক ওপেনার জিসান আলিকে ফেরান ওমরজাই। হংকংয়ের বিপদ বাড়িয়ে তৃতীয় ওভারে রান আউট হন নিজাকাত খান। কোনো বলই মোকাবিলা করতে পারেননি তিনি।
এশিয়া কাপে শূন্য বলে শূন্য রান করে আউট হওয়া দ্বিতীয় ব্যাটার নিজাকাত। ২০২২ সালের আসরে আফগানিস্তানের বিপক্ষেই একই পরিণতি হয়েছিল শ্রীলঙ্কার মাহিশ থিকশানার।
পঞ্চম ওভারে চতুর্থ উইকেটটিও রান আউটেই হারায় হংকং। এরপর একপ্রান্ত ধরে রেখে কিছু রান করার চেষ্টা করেন বাবর হায়াত। ৩ নম্বরে নেমে ৩ ছক্কায় ৪৩ বলে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন ৩৩ বছর বয়সী এই ব্যাটার।
এরপর পরাজয়ের ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন সাত নম্বরে নামা অধিনায়ক ইয়াসিম মুর্তাজা। অষ্টম ব্যাটার হিসেবে ফেরার আগে ২৬ বলে ১৬ রান করেন তিনি।
আফগানিস্তানের পক্ষে ২টি করে উইকেট নেন ফারুকি ও নাইব। রশিদ, ওমরজাই ও নুর আহমাদের ঝুলিতে যায় ১টি করে উইকেট।
No posts available.
৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
৬ এপ্রিল ২০২৬, ৪:০৩ পিএম
৬ এপ্রিল ২০২৬, ২:৪৭ পিএম

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ এনএসসি। ১১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে আপাতত চলবে বোর্ডের কার্যক্রম। এই কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তামিম ইকবাল।
বিসিসির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ থেকে এর মধ্যেই ২৫ পরিচালকের সাতজনই পদত্যাগ করেছেন। এরমধ্যে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই ভেঙে দেওয়া হয়েছে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ।
আরও পড়ুন
| নির্বাচনে অনেক অনিয়ম, ভেঙে দেওয়া হলো বিসিবির কমিটি |
|
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের অনুমোদনে গত মাসে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। বিসিবির গত নির্বাচনে অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয় এই কমিটিকে। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে সেই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেন গত রোববার। এর দুই দিন পর ব্যবস্থা নিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
এনএসসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)-কে ইতোমধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন এডহক কমিটির তালিকাও অনুমোদনের জন্য আইসিসির কাছে পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার অনুমোদন পাওয়া সাপেক্ষে কমিটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
আইসিসির কাছে পাঠানো প্রস্তাবিত এডহক কমিটি
তামিম ইকবাল, ফাহিম সিনহা, রফিকুল ইসলাম বাবু, সালমান ইস্পাহানি, তানজিল চৌধুরী, আতহার আলি খান, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, ইসরাফিল খসরু, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, রাসনা ইমাম।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালন পর্ষদ ভেঙে দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। আজ বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান।
এরই মধ্যে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে হবে নির্বাচন।
দুই দিন আগে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে গিয়ে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছিল কমিটি। তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে প্রমাণ পেয়েছে যে, বিসিবির নির্বাচন পুরোপুরি স্বচ্ছ ছিল না। এমনকি বর্তমান পরিচালকদের মধ্যেও একাধিকজন তদন্ত কমিটির কাছে এই অনিয়মের কথা স্বীকার করেছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুল এহসান গত নির্বাচন নিয়ে গঠিত এনএসসির তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনটি তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিসিবির বর্তমান পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে ইমেইলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইসিসির কাছে সদ্য গঠিত অ্যাডহক কমিটির নাম এবং অনিয়ম তদন্তের বিস্তারিত প্রতিবেদনও পাঠানো হয়েছে।

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ব্র্যান্ড ভেল্যু, তারকা ক্রিকেটারদের উপস্থিতি এবং সম্প্রচারের দিক থেকে ভারতের ঘরোয়া এই লিগের ধারে কাছে নেই পিএসএল, এসএ টি-টোয়েন্টি ও লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ। তবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নকভির বিশ্বাস, শিগগিরই আইপিএলকে ছাড়িয়ে যাবে পিএসএল।
সোমবার লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড অব গভর্নরসের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে নকভি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বাড়তি আগ্রহই পিএসএলের দ্রুত অগ্রগতির প্রমাণ। তার মতে, এই লিগ এখন বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে এবং খুব শিগগিরই বিশ্বসেরার কাতারে উঠে আসবে।
তিনি বলেন, “পিএসএল এখন বিনিয়োগের জন্য সেরা বাজার। খুব বেশি দেরি নেই, যখন এটি বিশ্বের এক নম্বর লিগ হবে।”
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপ জিতিয়ে মার্চের সেরার লড়াইয়ে ভারতের দুই তারকা |
|
লিগের সম্প্রসারণের পাশাপাশি বোর্ড ২০২৪-২৫ অর্থবছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনও অনুমোদন দিয়েছে, যা মাঠের বাইরেও স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দেয়। ফ্র্যাঞ্চাইজি নিলামেও ছিল ব্যাপক সাড়া। ৬ দল থেকে বেড়ে ৮ দলে উন্নীত হয়েছে পিএসএল, নতুন করে যুক্ত হয়েছে সিয়ালকোট ও হায়দরাবাদ।
১.৮৫ বিলিয়ন রুপিতে সিয়ালকোট ফ্র্যাঞ্চাইজি কিনেছে ওজেড ডেভেলপারস দলটির নাম দিয়েছে সিয়ালকোট স্ট্যালিয়নজ। এফকেএস গ্রুপ ১.৭৫ বিলিয়ন রুপিতে হায়দরাবাদ দল কিনে নাম রেখেছে হায়দরাবাদ কিংসমেন।
এত কিছুর পরও কিছু চ্যালেঞ্জ কিন্তু রয়ে গেছে। মাত্র দুই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে পিএসএল। জ্বালানি সংকটের কারণে ম্যাচগুলো দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হচ্ছে। অন্যদিকে আইপিএল একাধিক শহরে পূর্ণ গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং বিশ্বজুড়ে এর বিশাল দর্শক রয়েছে। ২০০৮ সালে শুরু হয় আইপিএল। আর ২০১৬ সালে শুরু হয় পিএসএল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারদের টানতেও কিছুটা সমস্যায় পড়ে পিএসএল। অনেক সময় আইপিএলে সুযোগ না পাওয়া ক্রিকেটাররা পিএসএলে খেলেন। পরে আইপিএল দলগুলো তাদের বদলি হিসেবে দলে ভেড়ায়—মাঝ মৌসুমেই তাদের ছাড়তে হয় পিএসএল। আর্থিক দিক থেকেও আইপিএল অনেক এগিয়ে; অনেক ক্ষেত্রে আইপিএলের একজন ক্রিকেটারের চুক্তির খরচ পিএসএলে একটি দলের বাজেটের সমান।

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের চাকরি ছেড়ে যাওয়ার আগে 'স্পিন বোলিং মেশিনের' গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছিলেন নিক পোথাস। তার বিদায়ের পর তাৎক্ষণিকভাবে না হলেও, অবশেষে সেই স্পিন বোলিং মেশিন এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যার নাম মার্লিন বাই বোলা।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সাদা বলের দুই সিরিজ শুরুর আগে চলমান অনুশীলন ক্যাম্পে সোমবার প্রথম এই স্পিন বোলিং মেশিন ব্যবহার করা হয়। যা দিয়ে নিজেদের পছন্দমতো অফ স্পিন, লেগ স্পিন বা স্ট্রেইট ডেলিভারির অনুশীলন করতে পেরেছেন ব্যাটাররা।
এর আগে শুধু এনালগ বোলিং মেশিনের ব্যবহার ছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটে। যা দিয়ে গতি বাড়ানো বা কমানো ও বাউন্সের তারতম্যের অনুশীলন করা যেত। এখন নতুন করে মার্লিন বাই বোলা নিয়ে আসায় স্পিনের বিপক্ষেও নিজেদের ঝালাই করতে পারবেন ব্যাটাররা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জাতীয় একাডেমি মাঠে সোমবার সকালেই যেমন সাইফ হাসান, জাকের আলি অনিকরা ব্যাটিং করেছেন এই মেশিনের সামনে। এটি দিয়ে চাইলে সময় ঠিক করে দিয়ে একসঙ্গে ৩০টি বলও খেলা যাবে।
আরও পড়ুন
| প্রধানমন্ত্রীর হাতে ট্রফি তুলে দিতে চান সাফজয়ী অধিনায়ক |
|
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মেশিনের ব্যাপারে ধারণা দেন বোর্ডের ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস।
“এই বোলিং মেশিনের নাম মার্লিন বাই বোলা। এটা নিয়ে অনেকদিন ধরেই কথা হচ্ছিল। কিছুদিন আগেই অর্ডার করা হয়। মেশিনটা অনেক ভারী হওয়ায় ফ্লাইটের মাধ্যমে না এনে জাহাজের মাধ্যমে আনা হয়েছে।”
“এটা দিয়ে অফ স্পিন, লেগ স্পিন এবং আর্মার- তিন ধরনের বল খেলা যায়। বলের লেন্থ পরিবর্তন করা যায়, পেস বাড়ানো-কমানো যায়। ম্যানুয়ালি বা অটোমেটিক, দুই মোডেই চালানো যায়। অটোমেটিক মোডে একসঙ্গে ২৫-৩০টা বল খেলা যায়।”
জানা গেছে, মেশিনটি কিনতে বিসিবির খরচ হয়েছে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড বা ১৬ লাখ টাকা।

ভারতকে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতানোর পথে বড় অবদান রেখে এবার আরেকটি স্বীকৃতির সম্ভাবনা জাগিয়েছেন সাঞ্জু স্যামসন ও জাসপ্রিত বুমরাহ। মার্চ মাসের আইসিসি প্লেয়ার অব দা মান্থ পুরস্কারে মনোনীত হয়েছেন ভারতের এই দুই তারকা।
স্যামসন ও বুমরাহ ছাড়াও পুরুষ ক্যাটাগরিতে মাসসেরার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার উদীয়মান তারকা কনর এস্থেইজেন। আর নারী ক্রিকেটে মনোনয়ন পেয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের অ্যামিলিয়া কার, অস্ট্রেলিয়ার বেথ মুনি ও দক্ষিণ আফ্রিকা আয়াবোঙ্গা খাকা।
আরও পড়ুন
| বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে স্টেডিয়ামের বাইরে পাঠিয়ে মজা পেয়েছেন ডেভিড |
|
ঘরের মাঠে হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শুরুর দিকে তেমন সুযোগ পাননি স্যামসন। তবে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে তিনিই হয়ে ওঠেন দলের বড় ভরসা। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে খেলা তিন ম্যাচে ২৭৫ রান করেন স্যামসন। সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৮৯ রানের ইনিংস।
ওই তিন ম্যাচে বল হাতে আলো ছড়ান বুমরাহ। ওভারপ্রতি মাত্র ৭ রান খরচ করে ১২ গড়ে ৭টি উইকেট নিয়েছিলেন ভারতের এই তারকা পেসার। শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে মাত্র ১৫ রানে নেন ৪ উইকেট।
বিশ্বকাপের পরপর নিউ জিল্যান্ড সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন এস্থেইজেন। পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৫০ গড় ও ১৪৫.৯৮ স্ট্রাইক রেটে ২০০ রান করেছিলেন ২৪ বছর বয়সী ব্যাটার।
মার্চ মাসে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি' দুই সংস্করণেই দারুণ ছন্দে ছিলেন অ্যামিলিয়া কার। গত মাসে খেলা ৪ ওয়ানডে ১৭৬ রানের পাশাপাশি বল হাতে ১৮ উইকেট নেন হোয়াইট ফার্ন অধিনায়ক। এছাড়া ৬ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ২৭৬ রানের সঙ্গে ৬ উইকেট নেন তিনি।
আরও পড়ুন
| কাঁথা-বালিশ নিয়ে ‘মাঠেই ঘুমাতে চান’ মুলতান অধিনায়ক |
|
মার্চে খেলা দুই ওয়ানডেতে ১৭১ রান করেন বেথ মুনি। এর মধ্যে ভারতের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ১০৬ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে করেন ৬৫ রান। এছাড়া ৩ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১২৮.৯১ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ১০৭ রান।
নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের ৪ ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার ছিলেন আয়াবোঙ্গা খাকা। পরে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে ৫৬ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন অভিজ্ঞ পেসার।