
চির প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের কাছে হারের পর তোপের মুখে পড়েছেন পাকিস্তানের তিন তারকা ক্রিকেটার বাবর আজম, শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শাদাব খান। দেশটির কিংবদন্তি ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের মতে, অবসর নেওয়া উচিত এই তিনজনের।
কলম্বোতে রোববার সন্ধ্যার ম্যাচে ভারতের কাছে ৬১ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ১৭৬ রানের লক্ষ্যে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় ২০০৯ সালের বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নরা। এ নিয়ে ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে ৯ ম্যাচের ৮টিই হারল তারা।
ম্যাচে একদমই ভালো করতে পারেননি বাবর, আফ্রিদি, শাদাবরা। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে খরুচে ছিলেন আফ্রিদি ও শাদাব।
আরও পড়ুন
| অস্ট্রেলিয়াকে খাঁদে ফেলে দিতে ‘চমক’ নিয়ে অপেক্ষায় শ্রীলঙ্কা |
|
নতুন বলে এক ওভার ও পরে শেষে আরেক ওভার বল করার সুযোগ পান আফ্রিদি। ইনিংসের শেষ বলে একটি উইকেট পেলেও দুই ওভারে ৩১ রান দেন বাঁহাতি পেসার। আর নিজের একমাত্র ওভারে ১৭ রান দেন লেগ স্পিনার শাদাব।
পরে ব্যাট হাতেও কিছু করতে পারেননি শাদাব। ছয় নম্বরে নেমে ১৫ বলে ১৪ রান করেন তিনি। আফ্রিদি অবশ্য ব্যাট হাতে খেলেন দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৩ রানের ইনিংস। তবে এতে দলের বিশেষ কোনো ফায়দা হয়নি।
আফ্রিদি ও শাদাবের মতোই বাবরের ব্যাট থেকেও ভালো কিছু আসেনি। চার নম্বরে নেমে ৭ বলে ৫ রান করে বাজে শট করে বোল্ড হন সাবেক এই অধিনায়ক। সব মিলিয়ে তাদের তিন জনের ওপর যেন বিরক্ত ইউসুফ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) নিজের ক্ষোভ ঝেড়ে দেন কিংবদন্তি এই ব্যাটার।
“শাহিন (শাহ আফ্রিদি), বাবর (আজম) ও শাদাবের (খান) সময় শেষ। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি দলের নতুন পারফর্মার প্রয়োজন। দুর্বল দলের বিপক্ষে অর্থহীন জয়ের মানে নেই।”
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন মাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান। বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে তাদের সুপার এইট খেলার ভাগ্য।
No posts available.
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:১৯ পিএম
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম

প্রথমে
বল হাতে জাদু দেখিয়ে প্রতিপক্ষকে আটকে রাখলেন হাতের নাগালে। চাপের মুখে ব্যাট হাতেও
তুললেন ঝড়। সব মিলিয়ে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে একাই আফগানিস্তানকে জেতালেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
ফলে আশা বেঁচে রইল দলের। আর সুপার এইট নিশ্চিত হয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার।
দিল্লির
অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে সোমবারের প্রথম ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৫ উইকেটে হারায়
আফগানিস্তান। আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৬০ রানের পুঁজি পায় আমিরাত। জবাবে ৪ বল বাকি
থাকতে ম্যাচ জেতে আফগানরা।
টি-টোয়েন্টি
বিশ্বকাপে তৃতীয় ম্যাচে এসে আফগানিস্তানের এটি প্রথম জয়। অনেক যদি-কিন্তুর ওপর এখনও
টিকে আছে 'ডি' গ্রুপ থেকে তাদের সুপার এইট খেলার সম্ভাবনা। আর তিন ম্যাচে ৬ পয়েন্ট
নিয়ে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর সেরা আট নিশ্চিত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার।
আরও পড়ুন
| ৪ বছর পর বিশ্বকাপে স্মিথ |
|
বোলিংয়ে
চমৎকার প্রদর্শনীতে মাত্র ১৫ রানে ৪ উইকেট নেওয়ার পর ব্যাট হাতে ২১ বলে ৪০ রানের দুর্দান্ত
ইনিংস খেলেন ওমরজাই। অনুমিতভাবেই তার হাতে ওঠে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
টস
হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম দুই ওভারে দুই ওপেনারকে হারায় আমিরাত। তৃতীয় উইকেটে ৮৪
রানের জুটি গড়েন আলিশান শারাফু ও সোহাইব খান। শারাফু ৩১ বলে ৪০ ও সোহাইবের ব্যাট থেকে
আসে ৪৮ বলে ৬৮ রান।
শেষ
দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ফেলায় বড় পুঁজির আশা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ১৬০ রানের বেশি করতে
পারেনি আমিরাত।
মোহাম্মদ
আফরানকে হিট উইকেটে পরিণত করে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে প্রথম বোলার হিসেবে ৭০০ উইকেট
পূর্ণ করেন রশিদ খান।
রান
তাড়ায় আফগানিস্তানের শুরুটাও তেমন ভাল ছিল না। একপ্রান্ত ধরে রেখে ৪১ বলে ৫৩ রানের
ইনিংস খেলেন ইব্রাহিম জাদরান। এছাড়া গুলবদিন নাইব ও সেদিকউল্লাহ অতল খেলেন ছোট ছোট
ইনিংস।
পরে
কঠিন হয়ে আসা সমীকরণে দারউইশ রসুলি করেন ২৩ বলে ৩৩ রান। আর ৪০ রানের অপরাজিত ইনিংসে
জয় নিশ্চিত করেন ওমরজাই।

খেলা শুরুর আগে মাঠের বাইরে নানান তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা আর খেলার মাঠে ভারতের অনায়াস জয়- গত কয়েক বছর ধরে যে কোনো টুর্নামেন্টে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ম্যাচের নিয়মিত চিত্র এটি। মাঠের বাইরে অনেক উত্তেজনা থাকলেও, মাঠের খেলায় থাকে না কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
তাই বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর দাবি, ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের চেয়ে এখন বাংলাদেশ ও ভারতের ম্যাচই হয় অধিক প্রাণবন্ত। তার মতে, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার খেলাতেই সবার নজর থাকে বেশি।
কলম্বোতে রোববার সন্ধ্যার ম্যাচেও দেখা গেছে, ভারতের একক আধিপত্য। স্পিনবান্ধব উইকেটে টস হেরে আগে ব্যাট করে ইশান কিষানের ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংসে ভর করে ১৭৫ রান করে ভারত। জবাবে ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।
এ নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ৯ ম্যাচের ৮টিই হারল পাকিস্তান। এছাড়া গত বছরের এশিয়া কাপ ও আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচেও পাকিস্তানকে অনায়াসেই হারায় ভারত। সব মিলিয়ে কোনো সংস্করণেই ভারতের সঙ্গে লড়াইও করতে পারছে না পাকিস্তান।
আরও পড়ুন
| ৪ বছর পর বিশ্বকাপে স্মিথ |
|
গত বছরের এশিয়া কাপ চলাকালে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, এখন আর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো রাইভালরি নেই। রোববার ম্যাচের পর একই কথা মেনে নিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা শোয়েব আখতার।
সোমবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মিনহাজুল আবেদিন নান্নুর কণ্ঠেও একই সুর।
“এখন তো মনে হয়, এই উপমহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশ-ভারতের খেলা এর (ভারত-পাকিস্তানের) চেয়ে বেশি প্রাণবন্ত হয়। আমারও এটা মনে হয় যে, এখন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের থেকে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচের দিকে মানুষের নজর থাকে বেশি। এই বিশ্বকাপে এটা মিস হচ্ছে। তবু আমি মনে করি, ওই খেলার চেয়ে এখন বাংলাদেশের ফোকাসটা বেশি।”
নানা ঘটনাপ্রবাহের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেই বাংলাদেশ। এর ফাঁকা সময়ে আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) ওয়ানডে টুর্নামেন্ট খেলবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। নান্নুর মতে, সামনের পাকিস্তান সিরিজের জন্য কাজে দেবে এই টুর্নামেন্ট।
“অবশ্যই এটা কার্যকরী হবে। অনেকদিন ধরে আমরা পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট খেলছি না। যেহেতু একটা (টুর্নামেন্ট) শুরু করছি এই জায়গা থেকে... ধরুন ২০২৭-এর বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে শুরু হচ্ছে। তো আমি মনে করি যে, ভালো ক্রিকেটটা দিয়ে আমরা শুরু করছি এবং ভালো স্ট্যান্ডার্ড অফ ক্রিকেট আমরা দেখতে পাব।”

মিচেল মার্শের চোটে 'কাভার' হিসেবে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্টিভেন স্মিথ। অধিনায়ক এখন সুস্থ হওয়ার পথে, তবে দেশে ফিরতে হবে না অভিজ্ঞ ব্যাটারের। কারণ পুরোনো চোটে ছিটকে গেছেন জশ হেজেলউড। আর বদলি হিসেবে ডাক পেয়েছেন স্মিথ।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নামার আগে স্মিথকে স্কোয়াডে যুক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার দুপুরে হেজেলউডের বদলি হিসেবে স্মিথকে অনুমোদন দিয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইভেন্ট টেকনিক্যাল কমিটি।
এর সৌজন্যে প্রায় ৪ বছর পর আবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার সামনে স্মিথ। ২০২২ সালের পর আর এই টুর্নামেন্টে দেখা যায়নি তাকে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির পর মূলত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিই খেলেননি স্মিথ।
আরও পড়ুন
| ইতিহাস গড়ে ৭০০ উইকেটের চূড়ায় রশিদ খান |
|
তবে এই সময়ে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া বিগ ব্যাশ লিগে আলো ছড়িয়েছেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। টুর্নামেন্টের সবশেষ সংস্করণে সিডনি সিক্সার্সের হয়ে ৬ ম্যাচ খেলে প্রায় ৬০ গড় ও ১৬৮ স্ট্রাইক রেটে তিনি করেন ২৯৯ রান।
মার্শ চোটে পড়ায় আগেই শ্রীলঙ্কায় দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন স্মিথ। রোববার পাল্লেকেলেতে সবার সঙ্গে অনুশীলনও করেছেন তিনি। সোমবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একাদশেও সুযোগ পেয়ে যেতে পারেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দুই ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচটি না জিতলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ে যেতে পারে দলটি।

অপেক্ষা ছিল একটিমাত্র উইকেটের। কিন্তু প্রথম তিন ওভারে সেই সাফল্য পাননি রশিদ খান। অবশেষে নিজের শেষ ওভার করতে এসে তৃতীয় বলে পেলেন সাফল্যের স্বাদ। একইসঙ্গে তিনি উঠে গেলেন ৭০০ উইকেটের চূড়ায়।
ইতিহাসের প্রথম বোলার হিসেবে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ৭০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন রশিদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সোমবার দুপুরের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে কাঙ্ক্ষিত এই উচ্চতায় পা রাখেন আফগানিস্তানের লেগ স্পিনার।
আমিরাতের ইনিংসের ১৬তম ওভারে কোটার শেষ ওভার করতে আসেন রশিদ। তার মিডল স্টাম্পে করা ডেলিভারিতে রিভার্স সুইপের চেষ্টায় ঠিকঠাক খেলতে পারেননি মোহাম্মদ আরফান। উল্টো ফলো থ্রুতে নিজের স্টাম্প এলোমেলো করে দেন ৩২ বছর বয়সী ব্যাটার।
আরও পড়ুন
| লেভানডফস্কি গন্তব্য নিয়ে নতুন তথ্য |
|
দীর্ঘ ৫১৮ ম্যাচের ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো ব্যাটারকে 'হিট উইকেট' করলেন রশিদ। আর সেটিই হয়ে থাকলে তার ৭০০তম উইকেট। ৫১৩ ইনিংসে এই ৭০০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। রশিদের ক্যারিয়ার সেরা বোলিং ১৭ রানে ৬ উইকেট।
এই ৭০০ উইকেট নেওয়ার পথে ৪৮৪ জন ডানহাতি ব্যাটারকে আউট করেছেন রশিদ। আর বাকি ২১৬ জন ব্যাটার বাঁহাতি। সবচেয়ে বেশি ২৭৭ বার ক্যাচ আউট করেছেন তিনি। আর তার বলে ব্যাটাররা বোল্ড হয়েছেন ২২৫ বার।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সহসাই কারও পক্ষে ৭০০ উইকেট নেওয়ার সম্ভাবনা নেই। ছয়শর বেশি উইকেট আছে শুধু ডোয়াইন ব্রাভো (৬৩১) ও সুনিল নারিনের (৬১৩)। এরই মধ্যে অবসর নিয়েছে ব্রাভো। নারিনের সামনে সুযোগ আছে ৭০০ উইকেট নেওয়ার।

ভারতের বিপক্ষে বিব্রতকর হারের পর সিনিয়র ক্রিকেটারদের ধুয়ে দিচ্ছেন পাকিস্তানের বেশিরভাগ সাবেক তারকা। তবে ভিন্ন পথে হাঁটছেন শোয়েব আখতার। তার সমালোচনার তীর ছুটেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির দিকে।
২০২৪ সালের জানুয়ারিতে পিসিবি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে নানান কারণে খবরের শিরোনাম হয়েছে নাকভি। গত বছরের এশিয়া কাপ ফাইনালের পর ট্রফি কাণ্ড নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে নানান আলোচনা হয় তাকে নিয়ে।
এছাড়া চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলা ও না খেলার দোলাচালেও বড় অংশ জুড়ে ছিলেন নাকভি। শেষ পর্যন্ত সরকারের সবুজ সংকেট নিয়ে ম্যাচটি খেলেছে পাকিস্তান। আর আরও অনেক ম্যাচের মতো ভারতের কাছে হেরে গেছে তারা।
৬১ রানের বড় পরাজয়ের পর সামনে আসছে ম্যাচের আগে নাকভির বিশেষ সভার খবর। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ম্যাচের আগের রাত ১০টায় ক্রিকেটারদের নিয়ে বৈঠক করেছেন পিসিবি চেয়ারম্যান। যা এখন সমালোচনার কেন্দ্রে।
আরও পড়ুন
| নিজের জামাতাকে বাদ দিতে বললেন আফ্রিদি |
|
এছাড়া ম্যাচে ১৭৬ রানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের ৬ উইকেট পড়ার পরই নাকি মাঠ ছেড়ে চলে গিয়েছেন নাকভি, এমন খবরও চাউর হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যমে। এসবের মাঝেই এবার শোয়েব আখতারের তোপের মুখেও পড়েছেন নাকভি।
ভারতীয় টেলিভিশন এবিপির ম্যাচ পরবর্তী আলোচনা অনুষ্ঠানে নাকভিকে ধুয়ে দেন পাকিস্তানের সাবেক এই গতিতারকা।
“আমাকে যদি আপনাদের চ্যানেল চালানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়, বা চ্যানেলের চেয়ারম্যান বানানো হয়... একটা চ্যানেল কীভাবে চালাতে হয়, আমি এসবের কী জানি! এরকমই একজন লোক, যে কিছুই বোঝে না (ক্রিকেটের), সে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান হয়ে গেছে, সে কী করতে পারে? দল কীভাবে চলবে…!”
“দুনিয়াতে সবচেয়ে বড় অপরাধ কোনটি, জানেন? সবচেয়ে বড় অপরাধ হলো একজন অদক্ষ ব্যক্তিকে যখন বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়। আপনি যখন কোনো অদক্ষ ও অজ্ঞ ব্যক্তিকে বড় দায়িত্ব দেবেন, সে দেশ ধ্বংস করে দেবে। যে কোনো কিছু ধ্বংস করে দেবে। উদাহরণ তো আপনার সামনেই আছে, আপনি বিচক্ষণ…।”
গত বছরের এশিয়া কাপের পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, ভারতের বিপক্ষে এখন আর কোনো তুলনা হয় না পাকিস্তানের। ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথও এখন আর বাকি নেই। সেই কথায় এবার সুর মেলালেন শোয়েব।
তবে বরারের মতো পাকিস্তানকে সমর্থন দিতে ভুলবেন না রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।
আরও পড়ুন
| ‘বাবর-আফ্রিদি-শাদাবের সময় শেষ’ |
|
“ভারতের ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গেছে, আমরা অনেক পেছনেই রয়ে গেছি। প্রতিদ্বন্দ্বিতা বলতে তো কিছু নেই। এখন তো স্রেফ টিআরপির (টেলিভিশন রেটিং পয়েন্ট) ব্যাপার রয়ে গেছে। টিআরপি বিক্রি করো, ব্যস! মাঠে তো লড়াই কিছুই নেই।”
“আশা করি, নামিবিয়ার সঙ্গে জিতবে, সুপার এইটে উঠবে এবং এরপর অলৌকিক কোনো কিছু হবে… আমি তো পাকিস্তানের পাশে রয়ে যাব, সমর্থন করা তো ছাড়ব না।”
বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত তিন মাচে দুই জয় নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে রয়েছে পাকিস্তান। বুধবার নামিবিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের ওপর নির্ভর করছে তাদের সুপার এইট খেলার ভাগ্য।