৫ জুলাই ২০২৫, ১০:৫৯ পিএম
প্রথম ম্যাচে প্রায় একই স্কোর নিয়ে বিশাল জয় পেয়েছিল শ্রীলঙ্কা। পারভেজ হোসেন ইমন ও তাওহীদ হৃদয়ের সাথে তানজিম হাসান সাকিবের ক্যামিওতে আড়াইশ ছুঁইছুঁই স্কোর যখন পেল বাংলাদেশ, জয়ের আশা কিছুটা হলেও বেড়ে গেল। তবে কুসাল মেন্ডিসের ঝড়ো ফিফটিতে সফরকারীদের চাপে ফেলে দিল লঙ্কানরা। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলা তানভীর ইসলাম এলেন ত্রাতা হয়ে, পাঁচ উইকেট নিয়ে ধস নামালেন ব্যাটিং অর্ডারে। সেই চাপ সামলে একাই লড়লেন জানিথ লিয়ানাগে। তার দারুণ এক ফিফটিতে জয়ের খুব কাছাকাছিও গেলেও শেষ রক্ষা আর হলো না শ্রীলঙ্কার। সিরিজে সমতা টানল বাংলাদেশ।
কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বাংলাদেশ জিতেছে ১৬ রানে। টস জিতে আগে ব্যাট করা বাংলাদেশ গুটিয়ে গিয়েছিল ২৪৮ রানে। রান তাড়ায় ৪৮.৫ ওভারে ২৩২ রানে থামে শ্রীলঙ্কার ইনিংস।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে ওয়ানডেতে জয় খরা কাটল বাংলাদেশের। আর অধিনায়ক হওয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ের দেখা পেলেন মেহেদি হাসান মিরাজ। আগামী ৮ জুলাই তার দল মাঠে নামবে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে, সিরিজ জয়ের লক্ষ্যে।
আরও পড়ুন
এক বছরের জন্য স্থগিত হয়ে গেল ভারতের বাংলাদেশ সফর |
![]() |
ব্যাট হাতে শেষের দিকে নেমে দারুণ এক ক্যামিও খেলা তানজিম দ্বিতীয় ওভারেই বাংলাদেশের এনে দেন সাফল্য। এলবিডব্লিউয়ের শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার পথুম নিশাঙ্কা। ব্যাটার রিভিউ নিলেও ‘আম্পায়ার্স কল’-এ বজায় থাকে আউটের সিদ্ধান্ত।
এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে শ্রীলঙ্কা। নিশান মাদুশকাকে নিয়ে কুসল শুরু করেন আগ্রাসী ব্যাটিং, যা পাল্টা চাপে ফেলে দেয় বাংলাদেশকে। অষ্টম ওভারে বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামকে দুই চার ও এক ছক্কায় ওড়ান। এরপরের ওভারে ঝড় বয়ে যায় মুস্তাফিজুরের ওপর দিয়ে। বাঁহাতি এই পেসারকে টানা চারটি চার মেরে কুসল স্রেফ ২০ বলে পূর্ণ করেন ফিফটি। মাত্র ৩৫ বলে দ্বিতীয় উইকেটে হয় ৫০ রানের জুটি।
কুসল ও মাদুশকার ব্যাটে চড়ে এক পর্যায়ে শ্রীলঙ্কার স্কোর দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৭৫। প্রথম ওভারে ১৭ রান দেওয়ার পরও তানভীরের ওপর আস্থা রাখেন মিরাজ, যার প্রতিদান তিনি দেন দুহাতে। আক্রমণে এসেই ফিরিয়ে দেন মাদুশকাকে (২৫ বলে ১৭), ভাঙেন ৬৯ রানের দ্বিতীয় উইকেট জুটি।
এরপর বড় উইকেটটাও আসে বাঁহাতি এই স্পিনারের হাত ধরেই। বিপজ্জনক কুসলকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন মাত্র ৩১ বলে ৫৬ রান করার পর। এই উইকেটে স্পিন ধরায় এই ম্যাচ দিয়ে একাদশে আসা শামীম হোসেনকে আক্রমণে আনেন মিরাজ। আর পার্ট টাইম স্পিনে চমকে দেখান তিনি। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা যখন তিনি শিকার বানান, তখন লঙ্কানদের স্কোর ছিল ৪ উইকেটে মাত্র ৯৯।
পরের ওভারেই ফের উইকেট পেতে পারতেন শামীম। তবে কামিন্দু মেন্ডিসের ব্যাট ছুয়ে ক্যাচ উঠলেও তা গ্লাভসে জমাতে পারেননি জাকের আলী অনিক। বেশিক্ষণ অবশ্য টিকতে পারেননি। অন্যপ্রান্তে দারুণ বোলিং করা তানভীর খানিক বাদেই ৩৩ রান করা কামিন্দুকে ফিরিয়ে দেখা পান নিজের তৃতীয় শিকারের।
আরও পড়ুন
ইমন-তাওহীদের ফিফটির পর তানজিমের ক্যামিওতে লড়াকু পুঁজি বাংলাদেশের |
![]() |
এরপর আবারও আঘাত হানেন তানভীর। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে খেলতে গিয়ে ব্যাট-প্যাড হয়ে ক্যাচ তুলে দেন দুনিথ ভেলালাগে। এবার সহজ ক্যাচ নেন জাকের আলী। ১৩২ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।
সপ্তম উইকেটে ২৪ রান যোগ করে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন জানিথ লিয়ানাগে ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, যার ইতি টানেন মিরাজ। ওয়ানডেতে পাঁচ ম্যাচ পর উইকেটের দেখা পান ১৩ রান করা হাসারাঙ্গাকে ফিরিয়ে।
চাপ বজায় রেখে সুযোগ তৈরি করেছিলেন মুস্তাফিজুর। তবে ব্যাটে লেগে লেগ সাইড দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া লিয়ানাগের ক্যাচ ফেলে দেন জাকের আলি। সেই সময়ে তার রান ছিল ২৮।
নিজের স্পেলের শেষ ওভারে বাংলাদেশকে আরও একবার উল্লাসে ভাসান তানভীর। মাহেশ থিকসানাকে আউট করে পূর্ণ করেন ফাইফার। দুর্দান্ত বোলিং ফিগারে ইনিংস শেষ করেন তিনি ১০ ওভারে ২ মেডেন সহ ৩৯ রানে ৫ উইকেট নিয়ে।
তবে বাংলাদেশ শিবিরে ভীতি ছড়িয়ে শুরুতে জীবন পাওয়া লিয়ানাগে ম্যাচ হেলে দেন শ্রীলঙ্কার দিকে। তার একের পর এক বড় শটের সাথে যোগ হয় মিরাজদের ক্যাচ আর ফিল্ডিং মিসের মিছিল। তাতে বাড়তে থাকে রান, আর কমতে থাকে বাংলাদেশের জয়ের আশা।
ফিফটি পেরিয়ে লিয়ানাগে যখন ম্যাচ বাংলাদেশের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যাবেন বলেই মনে হচ্ছিল, ঠিক সেই সময়েই মহাআকাঙ্ক্ষিত উইকেটটা এনে দেন মুস্তাফিজুর। আগের বলে ছক্কা হজমের পর রিটার্ন ক্যাচে লিয়ানাগেকে থামান ৭৮ রানে।
৪৯তম ওভারে আসিথার ক্যাচ নিজের বলে নিতে ব্যর্থ হন তানজিম। তবে পরের বলেই বোল্ড করেন দুসমান্থ চামিরাকে। বাংলাদেশ পায় রোমাঞ্চকর এক জয়।
এর আগে দিনের শুরুতে টস জিতে আগে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। একাদশে শামীম ছাড়াও আসেন হাসান মাহমুদ। বাদ পড়েন লিটন দাস ও তাসকিন আহমেদ। শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। আগের ম্যাচে ফিফটি করা তানজিদ হাসান তামিম সাজঘরের পথ ধরেন এক ডিজিটেই।
তিনে নামা শান্ত সেট হয়েও পারেননি ইনিংস বড় করতে। তবে দারুণ গতিতে এগিয়ে যাওয়া ইমন এগিয়ে নেন বাংলাদেশের ইনিংস। তুলনায় তাওহীদ ছিলেন বেশ ধীরগতির। চল্লিশ থেকে টানা দুই বলে চার ও ছক্কা মেরে ফিফটিতে পা রাখেন ইমন, যা তার ক্যারিয়ারের প্রথম অর্ধশতক।
আরও পড়ুন
১ বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফিরলেন সাইফউদ্দিন |
![]() |
তবে এরপর বেশিদূর যেতে পারেননি। থামেন ৬৭ রানে। প্রমোশন পেয়ে পাঁচে নামা মিরাজ দলকে হতাশ করেন আউট হন অল্পেও। ২৩ বলে ২২ রানের ইনিংসে সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন শামীম, তবে বড় শট হাঁকাতে গিয়ে ইতি ঘটে তার পথচলার।
জাকের আলী ও তাওহীদ মিলে এরপর কিছুটা ইনিংস মেরামতের চেষ্টা করেন। দলকে দুইশ পার করে তাওহীদ দেখা পান ফিফটির। তবে তিনিও বেশিক্ষণ আর টিকতে পারেননি। ৯ উইকেটে ২১৮ থেকে ২৪৮ রান পর্যন্ত বাংলাদেশের স্কোর টেনে নেওয়ার একক কৃতিত্ব কেবল তানজিমের। অপরাজিত থাকেন মাত্র ২১ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩৩ রানে।
২৯ আগস্ট ২০২৫, ৮:২০ পিএম
২৯ আগস্ট ২০২৫, ৫:১৮ পিএম
নিজেদের চেয়ে দুর্বল দলের বিপক্ষে অনেকবারই হেরেছে বাংলাদেশ দল। এ সব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও শুনতে হয়েছে বিভিন্ন সময়। সিলেটে কাল থেকে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। কোচ ফিল সিমন্স তাই সমালোচনার অগ্রীম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন, ভালো না খেললে সমালোচনাই প্রাপ্য।
কিছুটা ভয়ও অবশ্য থাকার কথা, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মতো বড় দুই দলকে সিরিজ হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী লিটনরা।
শ্রীলঙ্কা সফরে যে মানদণ্ডে দল খেলেছিল, সেটিই টেমপ্লেট হিসেবে সামনে রাখতে চান সিমন্স। সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আজ বাংলাদেশ কোচ বলেন,
‘শ্রীলঙ্কায় যে মান আমরা মেলে ধরেছি, সেটিই ধারে রাখতে চাইব আমি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের কিছুটাও বয়ে নিতে চাইব, যদিও ওই সিরিজে মিরপুরের উইকেট শ্রীলঙ্কার মতো অতটা ভালো ছিল না। শ্রীলঙ্কায় আমাদের ওই স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে চাই।’
আরও পড়ুন
ইংল্যান্ড দলে আছে বার্সা, নেই রিয়াল |
![]() |
বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মান ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ডাচদের বিপক্ষে সিরিজে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ফেভারিট। তবু প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে নারাজ সিমন্স।
সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন- ভালো না খেলতে পারলে সমালোচনার ঝড় আসাটা স্বাভাবিক, আর সেটা মেনে নিতেই হবে,
‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলেও সমালোচনা হয়, তাই নেদারল্যান্ডসের কাছে হারলে সমালোচনা হওয়া খুব খারাপ কিছু নয়। কারণ, যে দিন আমরা ভালো খেলতে পারব না, সেদিন সমালোচনা প্রাপ্যই। কিন্তু যদি আমরা আমাদের মান ধরে রাখতে পারি, আমি নিশ্চিত—জিতবই।’
আরও পড়ুন
সাঙ্ঘার সেঞ্চুরির পর দিপুর লড়াই |
![]() |
বাংলাদেশ এখানে অবশ্যই ফেবারিট। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের রেকর্ডও দারুণ। গত দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মতো দলকে হারিয়েছে। নিয়মিতভাবেই বিশ্বকাপে তারা চমক দেখাচ্ছে। সিমন্সও সে ব্যাপারে সতর্ক,
‘তারা আন্তর্জাতিক মানের দল। টানা দুই বিশ্বকাপে খেলেছে, ভালো ফল করেছে। এখন আর কাউকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’
বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজ শুধু জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, এশিয়া কাপেরও প্রস্তুতি। তবে সিমন্স আপাতত সেখানেই মন দিতে চাইছেন না,
‘চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় পৌঁছতে হলে তো আগে প্রাথমিক পর্ব উতরাতে হয়। কাজেই এশিয়া কাপ নিয়ে আমি ভাবছি না। এশিয়া কাপ আসবে এটির পরে। এটি আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক সিরিজ। আমাদের মনোযোগও এই সিরিজে।’
২৬৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। ডারউইনে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ১০৬ রান করেছে সফরকারীরা। এখনো পিছিয়ে ১৬০ রানে। উঁকি দিচ্ছে ইনিংস হার।
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম ওভারে ফেরেন ৪ রানে। তৃতীয় ওভারে দলীয় ৬ রানে ফেরেন তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা অমিত হাসান (০)।
থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি ওপনোর ইফতেখার হোসেন ইফতি। ৬৯ বলে ৩৫ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। চতুর্থ উইকেটে শাহাদাত হোসেন দিপুর সঙ্গে ৬৯ রানের একটি জুটি গড়েন ইফতি।
আরও পড়ুন
জিম্বাবুয়ের সামনে ৩০০ ছুঁই ছুঁই লক্ষ্য |
![]() |
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে ইয়াসির আলী রাব্বি (১৮) ও দিপু লড়াইয়ের চেষ্টা করছেন। ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন দুজনে। ৮৭ বলে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন দিপু।
তার আগে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থামে ৩৮০ রানে। আগের দিন ৮৩ রানে অপরাজিত থাকা জ্যাসন সাঙ্ঘা আজ তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। ৩১ রানে অপরাজিত থাকা হ্যারি নিলসেন করেছেন ফিফটি।
২৩৫ বলে ১৪৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন সাঙ্ঘা। সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েও ১৪৬ বলে ৮৬ রানে ফেরেন নিলসন। শেষ দিকে ৪৬ রান করেন হেনরি থরটন। তিনটি করে উইকটে নেন হাসান মুরাদ ও এনামুল হক। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ১১৪ রান।
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে তিন ফিফটির কল্যাণে জিম্বাবুয়েকে ২৯৯ রানের লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছে শ্রীলঙ্কা। হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকেরা। পাতুম নিসাঙ্কা, জেনিত লিয়ানাগে ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝোড়ো ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি লঙ্কানদের ৯ রানের হারায় ওপেনার নিশান মাদুশকার উইকেট। প্রথম ৫ ওভার পর্যন্ত এক অঙ্কের ঘরে ছিল তারা। ১৩ বলে ০ রানে ফেরেন মাদুশকা। দ্বিতীয় উইকটে কুশল মেন্ডিস ও নিসাঙ্কার ১০০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
আরও পড়ুন
সাফে ভুটানের বিপক্ষে হতাশার ড্র বাংলাদেশের |
![]() |
কুশল ৩৮ ও নিসাঙ্কা করেন ৯২ বলে ৭৬ রান। সাদিরা সামারবিক্রমাও (৩৫) থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ৬ রানে আউট হন চরিত আসালাঙ্কা। ষষ্ঠ উইকটে লিয়ানাগে ও কামিন্দু ৮৩ বলে গড়েন ১৮৭ রানের অসাধারণ এক জুটি। তাতে স্কোরটা প্রায় তিন শ ছুঁই ছুঁই হয়।
লিয়ানাগে ৩ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৭ বলে করেন ৭০ রান। ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছেন কামিন্দু। ৩৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন রিচার্ড নাগারাভা।
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আজ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লড়ছে জিম্বাবুয়ে। তবে ম্যাচের আগ মুহূর্তে দুঃসংবাদ পায় স্বাগতিকেরা। চোটে পড়ে এই সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন অধিনায়ক ক্রেগ আরভিন। তাঁর অনুপস্থিতিতে জিম্বাবুয়ে দলের নেতৃত্ব দেবেন আরেক অভিজ্ঞ ক্রিকেটার শন উইলিয়ামস।
ম্যাচের আগের দিন (গতকাল) রাতে বাঁ-পায়ের পেশীতে চোট পান আরভিন। এমআরআই স্ক্যান নিশ্চিত করেছে তাঁর বাম পায়ে গ্রেড-২ স্ট্রেইন এবং ডান পায়ে গ্রেড-১ স্ট্রেইন রয়েছে।
আরও পড়ুন
খেলতে গিয়ে ডাকাতি, আটক ৮২ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ক্রিকেটার |
![]() |
৪০ বছর বয়সী আরভিন জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞ সদস্য। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চোটের কারণে নিয়মিত ভুগছেন তিনি। ১৫ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ১২৮টি ওয়ানডেতে করেছেন ৩৬০০ রান, গড় ৩৩.০২। রয়েছে ৪টি সেঞ্চুরি ও ২৩টি ফিফটি।
জিম্বাবুয়ে-শ্রীলঙ্কান পরের দ্বিতীয় ও শেষ ওয়ানডে আগামী পরশু। ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সব ম্যাচই হারারেতে হবে।
ডাকতি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন পাপুয়া নিউ গিনির ক্রিকেটার কিপলিং ডোরিগা। জার্সির রাজধানী সেন্ট হেলিয়ার্সে গত সোমবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে। যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রণাধীন এই দ্বীপে চলমান সিডব্লিউসি চ্যালেঞ্জ লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলছে নিউ গিনি। ডোরিগাও আছেন দলে।
২৯ বছর বয়সী ডোরিগা নিউ গিনির হয়ে ৩৯টি ওয়ানডে ও ৪৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। ওয়ানডেতে ৭৩০ এবং টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ৩৫৯ রান। তিনি ২০২১ ও ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও খেলেছিলেন।
আরও পড়ুন
দাপুটে জয়ে ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডে সিনার |
![]() |
গতকাল সকালে ডোরিগা ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির হন। জানা গেছে, তিনি ডাকাতির অভিযোগ স্বীকার করেছেন। রিলিফ ম্যাজিস্ট্রেট রেবেকা মরলি-কার্ক এই অভিযোগকে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের জন্য অত্যন্ত গুরুতর বলে বিবেচনা করেন এবং মামলাটি রয়্যাল কোর্টে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ডোরিগাকে রয়্যাল কোর্টে ২৮ নভেম্বর আদালতে হাজির হতে হবে। তার জামিন আবেদন নাকচ করা হয়েছে, তত দিন পর্যন্ত তাঁকে সেই দ্বীপে আটক রাখা হবে।
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
১০ দিন আগে
১০ দিন আগে