একই দিনে দুটি দল ঘোষণা করল শ্রীলঙ্কা। জিম্বাবুয়ে সফরের টি-টোয়েন্টি সিরিজের পর এবার এশিয়া কাপের স্কোয়াডও দিলো তারা। যেখানে ফেরানো হলো অভিজ্ঞ স্পিনিং অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর এশিয়া কাপের জন্য ১৬ জনের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি)। এর আগে সকালে জিম্বাবুয়ে সিরিজের জন্য ১৭ জনের স্কোয়াড দিয়েছিল তারা।
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটের কারণে জিম্বাবুয়ে সফরের দলে রাখা হয়নি হাসারাঙ্গাকে। তবে এশিয়া কাপের আগেই সুস্থ হয়ে উঠবেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
আরও পড়ুন
শামির প্রশ্ন, ‘কার জীবনে পাথর হয়ে আছি যে অবসর চান’ |
![]() |
জিম্বাবুয়ে সফরের দলে দুশান হেমান্থের জায়গায় হাসারাঙ্গাকে নেওয়া হয়েছে। আর ওই দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে ভিশেন হালামবাগেকে।
আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর এশিয়া কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা। টুর্নামেন্টের গত আসরে ফাইনাল খেলেছিল তারা।
এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কা স্কোয়াড:
চারিথ আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, নুয়ানিদু ফার্নান্দো, কামিন্দু মেন্ডিস, কামিল মিশারা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা দাসুন শানাকা, দুনিথ ওয়েলালাগে, চামিকা করুনারত্নে, মাহিশ থিকশানা, মাথিশা পাথিরানা, নুয়ান থুশারা, দুশমন্থ চামিরা, বিনুরা ফার্নান্দো।
২৮ আগস্ট ২০২৫, ১০:২৩ পিএম
২৮ আগস্ট ২০২৫, ৭:১৫ পিএম
২৮ আগস্ট ২০২৫, ৬:২৩ পিএম
কয়েক বছর আগেও ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল চরমে। দুই দেশের যে কোনো ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা পৌঁছে যেত শিখরে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের বিপক্ষে তেমন লড়াই করতে পারে না পাকিস্তান। যে কোনো টুর্নামেন্টে ভারতই থাকে ফেবারিট।
দুই দলের সাম্প্রতিক ফলাফলের মতো পারিশ্রমিকের পার্থক্যও বিশাল। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি পারিশ্রমিক পান ভারতের ক্রিকেটাররা৷
কিছুদিন আগে ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তির তালিকা প্রকাশ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ২০২৫-২৬ মৌসুমের এই তালিকায় প্রথমবারের মতো কোনো খেলোয়াড়কেই ক্যাটাগরি ‘এ’ চুক্তিতে রাখেনি তারা। বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো তারকারাও নেমে গেছেন ক্যাটাগরি ‘বি’ তে।
অথচ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তিতে ‘এ’ ক্যাটাগরি তো আছেই, এর ওপরে আছে ‘এ+’ ক্যাটাগরিও।
আরও পড়ুন
দেখতে চিকন হলেও, বড় ছক্কার সামর্থ্য আছে হৃদয়-জাকেরদের: লিটন |
![]() |
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ভারতের এ+ ক্যাটাগরির একজন খেলোয়াড় বছরে পান প্রায় ৯ কোটি টাকা। বিপরীতে পিসিবির সর্বোচ্চ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারের বেতন মাত্র ১ কোটি টাকার সামান্য বেশি।
চলুন দেখে নেওয়া যাক ভারত-পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা খেলোয়াড়দের কার আয় কেমন:
পিসিবির নতুন এই চুক্তি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এতে মোট ৩০ জন খেলোয়াড়কে তিনটি স্তরে ভাগ করা হয়েছে বি, সি ও ডি।
পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের কেন্দ্রীয় চুক্তি (২০২৫-২৬)
ক্যাটাগরি বি (মাসিক ৩০ লাখ রুপি, বার্ষিক প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা):
বাবর আজম, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহিন আফ্রিদি, শাদাব খান, ফখর জামান, হাসান আলি, হারিস রউফ, আবরার আহমেদ, সাইম আয়ুব, সালমান আলি আঘা।
আরও পড়ুন
শামির প্রশ্ন, ‘কার জীবনে পাথর হয়ে আছি যে অবসর চান’ |
![]() |
ক্যাটাগরি সি (মাসিক ১৫ লাখ রুপি, বার্ষিক প্রায় ৫৭ লাখ টাকা):
নাসিম শাহ, আবদুল্লাহ শফিক, সাউদ শাকিল, ফাহিম আশরাফ, হাসান নবাজ, মোহাম্মদ হারিস, মোহাম্মদ নবাজ, নোমান আলি, সাহিবজাদা ফারহান, সাজিদ খান।
ক্যাটাগরি ডি (মাসিক ৭.৫ লাখ রুপি পাকিস্তানি রুপি, বার্ষিক প্রায় ২৮ লাখ টাকা):
শান মাসুদ, মোহাম্মদ আব্বাস, হুসেইন তালাত, খুররম শহজাদ, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস আফ্রিদি, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, সালমান মির্জা, আহমেদ দানিয়াল, সুফিয়ান মুকিম।
ভারতীয় খেলোয়াড়দের বিসিসিআই কেন্দ্রীয় চুক্তি (২০২৪-২৫)
ক্যাটাগরি এ+ (বার্ষিক ৭ কোটি রুপি বা প্রায় ৮ কোটি ৯৬ লাখ টাকা):
রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, জাসপ্রিত বুমরাহ, রবীন্দ্র জাদেজা।
আরও পড়ুন
হাসারাঙ্গাকে ফিরিয়ে শ্রীলঙ্কার এশিয়া কাপ দল |
![]() |
ক্যাটাগরি এ (বার্ষিক ৫ কোটি রুপি বা প্রায় ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা):
কেএল রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়া, মোহাম্মদ সিরাজ, শুভমন গিল, মোহাম্মদ শামি, ঋষভ পন্ত।
ক্যাটাগরি বি (বার্ষিক ৩ কোটি রুপি বা প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা):
সূর্যকুমার যাদব, কুলদীপ যাদব, শ্রেয়াস আইয়ার, অক্ষর প্যাটেল, যশস্বী জয়সওয়াল।
ক্যাটাগরি সি (বার্ষিক ১ কোটি রুপি বা প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা):
ঈশান কিশান, সাঞ্জু স্যামসন, রিঙ্কু সিং, ঋতুরাজ গায়কোয়াড, তিলাক ভার্মা, শিভাম দুবে, রবি বিষ্ণোই, ওয়াশিংটন সুন্দর, আর্শদীপ সিং, রজত পতিদার, ধ্রুব জুরেল, সারফরাজ খান, নিতিশ রেড্ডি, অভিষেক শর্মা, বরুণ চক্রবর্তী, হার্ষিত রানা, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপ।
বয়সের কাঁটা ৩৫ ছুঁয়ে ফেলবে আগামী বছর। গত মার্চে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে জাতীয় দলেও নেই মোহাম্মদ শামি। জায়গা পাননি সামনের এশিয়া কাপের দলেও। তাই গুঞ্জন শুরু হয়ে তার অবসর নিয়ে। সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়ে এই গুঞ্জন ছড়ানোদের এক হাত নিলেন শামি।
২০২৩ সালের পর থেকে আর টেস্ট খেলার সুযোগ পাননি শামি। ফিটনেস সমস্যার কারণে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড সফরের টেস্ট দলে নেওয়া হয়নি অভিজ্ঞ পেসারকে। এবার ফিট হয়ে ফিরলেও এশিয়া কাপের জন্য তাকে বিবেচনা করেননি নির্বাচকরা।
তাই আপাতত দেশের ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট দুলিপ ট্রফিতে খেলছেন শামি। এই টুর্নামেন্টে মাঠে নামার আগে এক সাক্ষাৎকারে নিন্দুকদের এক হাত নিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
দেখতে চিকন হলেও, বড় ছক্কার সামর্থ্য আছে হৃদয়-জাকেরদের: লিটন |
![]() |
প্রসঙ্গ ছিল অবসরের ব্যাপারে। এই বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন ভারতের অভিজ্ঞ পেসার।
“কারো যদি সমস্যা হয়, আমাকে বলুন। আমি অবসর নিলে কার জীবন ভালো হবে? বলুন, কার জীবনে আমি পাথর হয়ে আছি যে আমার অবসর চান? যেদিন আমার (খেলাটি) একঘেয়ে লাগবে, আমি বিদায় নেব। আমাকে দলে না নিলে, না খেলালে, আমার কিছু যায় আসে না।”
শামির দৃঢ় সংকল্প, যত দিন সম্ভব খেলা চালিয়ে যাবেন।
“আমি কঠোর পরিশ্রম করে যাব। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেবে না, আমি ঘরোয়া ক্রিকেট খেলব। আমি কোথাও না কোথাও খেলা চালিয়ে যাব। একঘেয়ে অনুভব করতে শুরু করলে, টেস্ট খেলার জন্য সকাল ৭টায় ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে তখন অবসর এবং এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এখন আমার অবসর নেওয়ার সময় নয়। দল চাইলে আমি সকাল ৫টায়ও উঠব।”
পাওয়ার হিটিং কোচ জুলিয়ান উড কদিন আগেই বলেছিলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের শারীরিক গড়ন ছোটখাটো হলেও, পাওয়ার আছে অনেক। এবার সেই একই কথার জানান দিলেন জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।
উড বা লিটনের কথার প্রমাণ আছে পরিসংখ্যানেও। চলতি বছর খেলা ১২ টি-টোয়েন্টিতে এরই মধ্যে ছক্কার সেঞ্চুরি করে ফেলেছে বাংলাদেশ। দল হিসেবে প্রায় প্রতি ম্যাচে সব মিলিয়ে গড়ে ৮-৯টি করে ছক্কা মারছেন তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, জাকের আলিরা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই ছক্কার রহস্য জানাতে গিয়ে লিটন বলেন, ভালো উইকেটে টানা খেললে আরও বেশি ছক্কা মারতে পারবে তার দলের ব্যাটাররা।
আরও পড়ুন
মেজাজ হারিয়ে র্যাকেট ভেঙে মেদভেদেভের ৫১ লাখ টাকা জরিমানা |
![]() |
“ইমন আর তামিম যখন বিপিএলেও খেলে, আমরা দেখি যে ওদের প্যাটার্নটা কেমন। দুইজনই অনেক শক্তিশালী। ওদের হাতে পাওয়ার হিটিং করার অনেক সামর্থ্য আছে।”
“এমন না যে শুধু তামিম আর ইমন, আমার মনে হয় জাকের আলি থেকে শুরু করে শামীম পাটোয়ারী এবং তাওহিদ হৃদয়ও; দেখতে চিকন হলেও তাদের মারার অনেক সামর্থ্য আছে। ভালো উইকেটে টানা ক্রিকেট হতে থাকলে, তারা এর চেয়েও বেশি ছক্কা মারতে পারে।”
গত কয়েক মাস ধরে টি-টোয়েন্টিতে জুটি বেধে সফল তামিম ও ইমন। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে শুরুতে নিয়মিতই বড় রান পাচ্ছে বাংলাদেশ। যা দলকে বড় সংগ্রহ গড়তে এনে দিচ্ছে দারুণ ভিত।
আরও পড়ুন
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সূচিতে বড় পরিবর্তন |
![]() |
লিটন বললেন, বোর্ডে রান থাকলে অধিনায়ক হিসেবে স্বস্তিতে থাকেন তিনি।
“রান শুরুতে আসুক আর শেষে আসুক, রান হওয়াই স্বস্তির। বোর্ডে রান থাকলে ভালো। অধিনায়ক হিসেবে আমি যখন মাঠ চালাব, বোর্ডে অনেক রান পেলে বোলাররাও আত্মবিশ্বাসী থাকে। তাই ব্যাটার হিসেবে সবারই কাজ রান করা। সেটা যেখান থেকেই করুক।”
ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের সময়সূচিতে বড় পরিবর্তন আনল ইউয়েফা। আগের আসরগুলোর চেয়ে তিন ঘণ্টা এগিয়ে আনা হলো শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের সময়।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের আগের আসরগুলোতে ফাইনাল ম্যাচ শুরু হতো সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান সময় রাত ৯টায়। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সামনের আসরের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হবে সেন্ট্রাল ইউরোপিয়ান সময় সন্ধ্যা ৬টায়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী, এটি রাত ১০টা।
হাঙ্গেরির রাজধানী, বুদাপেস্টের পুসকাস অ্যারেনায় ২০২৬ সালের ৩০ মে হবে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন আসরের ফাইনাল ম্যাচ। ওই ম্যাচ থেকেই কার্যকর হবে ফাইনাল শুরুর নতুন সময়।
আরও পড়ুন
নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারলে হারতেও পারি: লিটন |
![]() |
আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে এই পরিবর্তনের কারণও জানিয়েছে ইউয়েফা।
“চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচের দিনটী সবার জন্য যেন সত্যিকারের উপভোগ্য হয়ে ওঠে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। যারা মৌসুমের সবচেয়ে বড় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লাব ফুটবল ম্যাচে (স্টেডিয়ামে) উপস্থিত থাকতে চায়, সেইসব পরিবার ও শিশুদের জন্য এমন একটা আবহ তৈরি করতে চাই, যেন তাদের জন্য সবকিছু সহজ হয়ে ওঠে।”
সময় এগিয়ে আনা অবশ্য শুধু ফাইনাল ম্যাচের জন্য। বাকি ম্যাচগুলো আগের সময়ে হবে। ফাইনালের আগপর্যন্ত মঙ্গল ও বুধবার শুরুর দিকে বাংলাদেশ সময় রাত ১টা ও শেষের ভাগে রাত ২টায় শুরু হয় খেলা।
ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এখন পর্যন্ত ৮টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এর ৩টিতেই হেরে গেছে তারা। ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের কাছে পরাজয় ছিল বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ব্যর্থতা।
এবার প্রথমবারের মতো ঘরের মাঠে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলবে লিটন কুমার দাসের দল। এই ফরম্যাটে ডাচদের বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড ভালো, পাঁচ ম্যাচে জয় চারটিতে। তাই বলে নেদারল্যান্ডসকে হালকাভাবে নিতে চান না লিটন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে লিটন বলেছেন, সামনের সিরিজে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে হারলে হারতেও পারেন তারা। তবে সব ম্যাচে জেতার জন্যই নামবেন তারা।
দীর্ঘ সংবাদ সম্মেলনে লিটনের প্রশ্নোত্তর পর্ব দেখে নেওয়া একনজরে
পাওয়ার হিটিং নিয়ে দলের ভাবনা
লিটন: দেখেন, কেউ আসলে তো দুই-তিন দিনে পুরোপুরি বদলে দিতে পারবে না। তবে তার (জুলিয়ান উড) কিছু থট প্রসেস ছিল প্র্যাকটিসের, যেগুলো নতুন মনে হয়েছে আমাদের কাছে। আমরা কাজ করেছি। দেখা যাক, বাদ বাকিটা এখন... এখনও তো ম্যাচ খেলিনি সে আসার পরে। আমাদের একটা ম্যাচও হয়নি। নেদারল্যান্ডসের সিরিজ দিয়েই দেখা যাবে যে বাংলাদেশ টিম এখান থেকে কতখানি ডেভেলপ করেছে।
আরও পড়ুন
শ্রীলঙ্কা দলে নতুন মুখ ভিশেন হালামবাগে |
![]() |
গত এক মাসের অনুশীলন ক্যাম্প সম্পর্কে
লিটন: এই জার্নিটা খুবই ভালো ছিল। পাকিস্তান সিরিজের সময়ও বলেছিলাম যে আমাদের একটা ব্রেক থাকবে এবং ফিটনেস অনেক বড় এখনকার ক্রিকেটে, যেটা আমরা করেছি। ফিটনেসের প্রতি ফোকাস ছিল আমাদের সবার।
ফিটনেসের পর আমরা আমাদের স্কিলেরও ডেভেলপ করার চেষ্টা করেছি। ওভারঅল আমি যদি দেখি আমাদের প্রিপারেশন ভেরি গুড। আপনি এত ভালো ফ্যাসিলিটি সহকারে প্রিপারেশন খুব কমই পাওয়া যায়। আমার মনে হয় বাংলাদেশ টিম লাস্ট যে ব্রেক ছিল, ব্রেকের পর থেকে খুব ভালো প্রিপারেশনে আছে।
নেদারল্যান্ডস সিরিজে এক্সপেরিমেন্টের সুযোগ
লিটন: না! দেখেন যেকোনো ইন্টারন্যাশনাল ম্যাচই আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং হবে। নেদারল্যান্ডও ভালো টিম। হয়তোবা তারা এই কন্ডিশনে খুব একটা খেলে না। তবে যদি ভালো উইকেটে ক্রিকেট হয়, তারা ভালো উইকেটে ক্রিকেট খেলে অভ্যস্ত। তাই দুই সাইডেই চ্যালেঞ্জ থাকবে... আর অবশ্যই যদি এশিয়া কাপের আগে আমাদের হাতে ওই সুযোগ থাকে কিছু ক্রিকেটার দেখার, আমরা দেখব। তবে এটা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট। আপনাকে জেতার জন্যই যেতে হবে।
এই সিরিজ ভালো করলে এশিয়া কাপের রিয়েলিটি চেক
দেখেন, আপনি এশিয়া কাপে যখন খেলবেন, ভিন্ন দল থাকবে। সেই দল আমরা এখানে আনতে পারব না। তবে প্রায় একই কন্ডিশন থাকবে আমার মনে হয়। আমরা সবাই জানি আবুধাবি ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট হয়। সিলেটও অনেকটাই ব্যাটিং ফ্রেন্ডলি উইকেট।
তো মিল যদি আমি দেখতে চাই, ওইদিক দিয়ে থাকবে। আর আপনি যে কথাটা বললেন যে ২০০-২৫০ রান করাটা, এটা একটা অভ্যাসেরও বিষয়। আমরা যদি করতে পারি খুবই ভালো। না করতে পারলেও আমরা ওই ধারাবাহিকতা চেষ্টা করব যে ওইখানে কীভাবে পৌঁছানো যায়।
আরও পড়ুন
ফাতেমা মুজিবকে ছাড়াই শুরু জুলাই রেভুলেশন চ্যাম্পিয়নশিপ |
![]() |
এশিয়া কাপের আগে এই সিরিজ হেরে গেলে সমালোচনার ঝড়ে পড়ার ঝুঁকি
লিটন: না, ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটে এমন কোনো দল নেই যে ছোট দল। তো আমরা... আমরা সবসময় খেলি জেতার জন্য এবং আগে বা ভবিষ্যতেও যতগুলো ম্যাচ খেলব সব জেতার জন্যই যাব।
বাংলাদেশ এর আগেও অনেক দলের কাছে হেরেছে, নতুন কিছু না। যদি হেরে যাই, হেরে যেতেই পারি। দুইটা দলই খেলতে এসেছে, একটা দল জিতবে, একটা দল হারবে। আমরা কতটা ভালো ক্রিকেট খেলতে পারতেছি, এটা হচ্ছে মূল।
ফ্লাডলাইট নিয়ে কনসার্ন?
লিটন: ফ্লাডলাইট কেমন? না, কয়েকদিন প্র্যাকটিস করলাম ভালো। আরেকটু লাইট যদি বাড়ানো যায় তাহলে অবশ্যই আরও ভালো। তবে মিরপুরের চেয়ে এখানে ভালো।
ব্যাটিং কোচের সঙ্গে কাজের ফল তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে নাকি আরও সময় প্রয়োজন?
লিটন: এক-দুই দিন বা সেশনে আপনি আসলে খুব একটা ডেভেলপ করতে পারবেন না। আমরা যারা ক্রিকেট এখানে খেলি, অলমোস্ট সাত-আট বছর ধরে হয়ে গেছে, কারো কারো ১০ বছর হয়ে গেছে। তো সবার একটা প্যাটার্ন তো থাকে। যে যার প্যাটার্নে ক্রিকেট খেলতেছে। তার ভেতরে চেষ্টা করতেছে যে ভিন্ন কিছু আনার জন্য। বাট এটা দেখা যাবে আপনার একটু সময় দিতে হবে। কোনো কিছু তো এক-দুইদিনে চেঞ্জ হয়ে যায় না। যদি একটু সময় কন্টিনিউ আমরা ওই ফোকাসে থাকতে পারি, হয়তোবা অদূর ভবিষ্যতে চেঞ্জ হবে।
আরও পড়ুন
চ্যালেঞ্জ লিগে সাবেক ইপিএল ফুটবলারের বিপক্ষে খেলতে হবে সাদ-তপুদের |
![]() |
পারভেজ ইমনের চোট, সৌম্য সরকার থাকতে পারতেন কিনা
লিটন: দল তো দিয়ে দিয়েছে, এটা আপনারাও জানেন। পারভেজ ইমনের বিষয়টা এখনও আমি নিশ্চিত নই। ম্যানেজমেন্ট বা ফিজিওর তরফ থেকে আমার কাছে কোনো ইনফরমেশন আসেনি। আর সৌম্য তো আমাদের ব্যাকআপ অপশনেই আছে। সো যদি কখনো প্লেয়ার ইনজুরড হয়, যে পজিশনের কথা বললেন, তাহলে অবশ্যই সে আসবে।
এশিয়া কাপের প্রস্তুতিটা কীভাবে নিচ্ছেন?
লিটন: আগেও বললাম যে এখানকার কন্ডিশনের মতো ওখানেও হওয়ার চান্স আছে । তো কয়েকদিন ধরে প্র্যাকটিস করেছি। একটা ম্যাচও খেলেছি আমরা। আর আমরা জানি এখানকার কন্ডিশন কী হতে পারে এবং আমাদের প্লেয়াররাও সব জানে যে ওখানে কন্ডিশন কী হতে পারে। চেষ্টা করব কন্ডিশনটা কাজে লাগিয়ে যেন ম্যাচের রেজাল্ট বের করতে পারি।
নুরুল হাসান সোহান ও সাইফ হাসানের ব্যাপারে
লিটন: আমি তো খুব খুশি যে আমার দলে দুজন ক্রিকেটার যুক্ত হয়েছেন। এমন না যে, যারা এখান থেকে দলে নেই, তারা খারাপ প্লেয়ার। তারাও বাংলাদেশের জন্য অনেক... অনেক কিছু করেছে এবং অদূর ভবিষ্যতেও আবারও তারা হয়তোবা আবার কামব্যাক করবে। সোহান এবং সাইফ লাস্ট বিগত অনেকগুলো বছর ধরেই তারা ভালো ক্রিকেট খেলছে। স্পেশালি সোহান ভাই তো অনেকদিন ধরেই মোটামুটি ভালো ক্রিকেট খেলছে।
আরও পড়ুন
শেষ ম্যাচে শারমিন-স্বর্ণার ফিফটি |
![]() |
সাইফের যে জিনিসটা, সাইফের লাস্ট বিপিএল ও গ্লোবাল সুপার লিগ। আবার একটা গেম খেলে এলো অস্ট্রেলিয়াতে। তার যে খেলার যে প্যাটার্নটা ছিল, আমার কাছে মনে হয় আমাদের এমন একটা প্লেয়ার দরকার ছিল যে কিনা একটু অ্যাগ্রেসিভ মাইন্ডে ক্রিকেট খেলতে পারবে মিডল অর্ডারে এবং এক-দুই ওভার যার কাছ থেকে বোলিং পাওয়া যায়। ওই জন্যই কিন্তু সাইফকে নেওয়া।
চেষ্টা করব যে সাইফ তার যে ক্যালিবারটা আছে, যেটা সে ন্যাশনাল টিমের বাইরে যে গ্রেড ক্রিকেটগুলো ছিল ওখানে খেলেছে, সেগুলো এখানেও খেলার চেষ্টা করবে। যদি তারা সুযোগ পায়, আমি চেষ্টা করব... আমি চাইবো তারা যেন তাদের সেরা ক্রিকেটটা খেলতে পারে বাংলাদেশের জন্য।
এক-দুই ম্যাচ পরে যে তারা বাদ পড়ে যাবে, জিনিসটা এমন না। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট, যেকোনো সময় আপনার অ্যাগ্রেসিভ ক্রিকেট খেলার জন্য আপনি আউট হয়েই যেতে পারেন। এটা টিম ম্যানেজমেন্ট বুঝব যে প্লেয়ারটা কী রকম খেলার চেষ্টা করছে। যদি বুঝি যে না, সে টিমের জন্য সবকিছু দিতে প্রস্তুত, অবশ্যই টিম ম্যানেজমেন্ট ব্যাক করবে।
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৩ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
৮ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে