
দুই দেশের মধ্যে চলছে যুদ্ধময় এক আবহ। সীমান্তে অস্থিরতার জেরে ভারত ও পাকিস্তানের সব ধরণের সম্পর্কই এখন প্রায় বন্ধ। এমন এক সময়ে ওমানের মাসকটে দশম এশিয়ান বিচ হ্যান্ডবল চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে দুই প্রতিবেশী দেশ।
লিগ পর্যায়ের এই ম্যাচে অংশ নিতে ভারত দলের খেলোয়াড়রা কালো আর্মব্যান্ড পরেছিলেন। তবে আয়োজক এবং এশিয়ান হ্যান্ডবল ফেডারেশন (এএইচএফ) পক্ষ থেকে তাদের কালো আর্মব্যান্ড সরিয়ে খেলতে বলা হলে সেটা পরিধান না করেই ম্যাচটি খেলে ভারত। আয়োজকরা ভারতীয় কোচিং স্টাফদের এই ব্যাপারে জানিয়েছিলেন, এই ধরণের কাজ করলে সেটা নিয়ম অনুযায়ী ভারত দলকে টুর্নামেন্ট থেকে বহিষ্কার করার দিকে নিয়ে যেতে পারে।
আরও পড়ুন
| মান বাঁচাতে ইউরোপা লিগ জিততে চান আমোরিম |
|
টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের সাথে চলমান সংকটের কারণে দেশের মানুষের আবেগের কথা চিন্তা করে ভারত দল এই ম্যাচটি বয়কট করার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। তবে এএইচএফ তাদের এর শাস্তি হিসেবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ও জরিমানা করার ব্যাপারে সতর্ক করার পর খেলতে রাজি হয় দলটি।
হ্যান্ডবল ফেডারেশন অব ইন্ডিয়া- এর নির্বাহী পরিচালক আনন্দেশ্বর পান্ডে টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশনের (আইএইচএফ) নিয়ম অনুসারে, ভারত ম্যাচটি বয়কট করলে তাদের ১০ হাজার ডলার জরিমানা দিতে হত। এছাড়া ভারতকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার সম্ভাবনারও ছিল।
ভিন্ন আবহে হওয়া এই ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে পাকিস্তান। ভারতকে তারা হারায় ২-০ ব্যবধানে।
আরও পড়ুন
| ৫ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পিএসজি |
|
সেমিফাইনালেও দুই দলের আবার মুখোমুখি হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সেই ম্যাচটি খেলা নিয়ে এখনই সিদ্ধান্ত নেয়নি ভারত। আনন্দেশ্বর পান্ডে জানিয়েছেন, তারা সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে সেভাবেই ম্যাচ খেলা বা বয়কটের সিদ্ধান্ত নেবেন।
No posts available.
১৬ মার্চ ২০২৬, ৭:২৩ পিএম
১৬ মার্চ ২০২৬, ৫:০৭ পিএম
১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৫২ এম
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের গৌরব মৃতপ্রায়। সেটি আবার ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে দেশব্যাপী উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এমনটাই আজ জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আশি-নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। এই আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সম্মেলন কক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তরের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা হয়। সেখানে ছিলেন দেশের সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলা ক্রীড়া অফিসাররা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।
সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন,
‘১২-১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৭টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা হবে। প্রাথমিকভাবে সিলেট থেকে এই যাত্রা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাগুলো প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হবে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,
‘নতুন কুড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরী হচ্ছে। বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের জন্য থাকছে সরকারি ক্রীড়া বৃত্তি। এছাড়া ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি মাধ্যমে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা এবং সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করবে সরকার। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও কর্মঠ জাতি গঠনে এই উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’

ক্রিকেট, ফুটবল কিংবা হকি- প্রায় সব খেলাধুলাতেই রেফারির প্রয়োজন। মাঠের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করলেও বেশিরভাগ সময় তারাই থাকেন অবহেলিত এবং সুযোগ-সুবিধাবঞ্চিত। ফেডারেশন বা সংস্থা থেকে রেফারিদের জন্য সম্মানী থাকলেও অনেক সময় দেখা যায় তা পাওনা খাতাতেই থেকে যায় বছরের পর বছর। রেফারি কিংবা আম্পায়াররা যাতে আরেকটু সুযোগ-সুবিধা পান এবং সরকারের পক্ষ থেকে সম্মানী পান সেজন্য তাদেরকে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) আওতায় আনতে পরিকল্পনা করছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আজ সোমবার পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন আমিনুল হক। এরপর উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সেখানেই জানান সরকারের এই পরিকল্পনার কথা,
‘প্রতিটি সেক্টরে, গেমসে কিন্তু রেফারির প্রয়োজন হয়। কিন্তু তারা ক্রীড়া পরিষদের আওতায় নেই। আমাদের নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছি যে আমরা পরবর্তীতে সকল রেফারিদেরকে ক্রীড়া পরিষদের আওতায় এনে কীভাবে তাদেরকে একটি কমিউনিকেশনের মাধ্যমে তাদের আরও বেশি ইনভলভমেন্ট বাড়াতে পারি, তাদের যে সুযোগ-সুবিধা দরকার সেগুলো আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ দিতে পারি, সে বিষয়গুলো নিয়ে একটি প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে এটা এখনো ফাইনাল পর্যায়ের না।’
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক রেফারিদের গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাদের মূল্যায়ন করে তিনি বলেন,
‘আমরা আলোচনা শুরু করেছি। পরবর্তীতে রেফারিদের সঙ্গে বসতে হবে। আমাদের ক্রীড়া পরিষদের যে নীতিমালা রয়েছে, কিছু জায়গা হয়তোবা পরিবর্তন করতে হবে। সেগুলো পরিবর্তন করে আমরা চাই যেন রেফারিরাও আমাদের একটি অংশ হয়। তাদেরকেও আমাদের ভিতরে নিয়ে আসা হবে।’
এদিকে, আগামী ৩০ এপ্রিল ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’র উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। যে কারণে এখন ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ক্রীড়া পরিষদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কর্মকর্তারা। সরকারের স্পোর্টসভিত্তিক এই কার্যক্রমের মিটিং শেষে আজ হঠাৎ স্টেডিয়াম এলাকা পরিদর্শন করেন বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। জাতীয় সুইমিংপুলে গ্যাস সমস্যা দীর্ঘদিনের। স্কোরবোর্ড অকেজো ৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে। সেদিকে নজর দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
দীর্ঘ ৩২ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছে 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ' অলিম্পিক গেমস। লস অ্যাঞ্জেলেসে হতে যাওয়া বৈশ্বিক এই ইভেন্টে নিজ দেশেই নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে যাচ্ছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বকেয়া চাঁদা পরিশোধ না করায় ট্রাম্পসহ মার্কিন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সামনের অলিম্পিক ও বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্ট থেকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবছে ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (ওয়াডা)।
২০২৩ ও ২০২৪ সাল মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বকেয়া পাওনার পরিমাণ ৭৩ লাখ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৯০ কোটি টাকা)।
মূলত রাশিয়ার ডোপিং কেলেঙ্কারি ও সম্প্রতি চীনের ২৩ জন সাঁতারুর পজিটিভ ডোপ টেস্টের ফলাফল ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তুলে ওয়াডার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ওয়াশিংটন। তারই প্রতিবাদে চাঁদা দেওয়া বন্ধ রেখেছে মার্কিন প্রশাসন।
ওয়াডার নিয়ম অনুযায়ী, বকেয়া পরিশোধ না করলে কোনো দেশ কমিটিতে থাকতে পারে না। ফলে ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পদটি শূন্য বা স্থগিত অবস্থায় আছে।
এর আগে ২০২৪ সালে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য একটি নিয়ম পরিবর্তনের প্রস্তাব এনেছিল ওয়াডা, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা স্থগিত করা হয়।
বর্তমানে নির্বাহী কমিটিতে যুক্তরাষ্ট্রের পদ না থাকায় ওয়াডার এই নীতিমালায় পরিবর্তন আনা সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবার সংস্থাটির কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় নিয়মটি পুনরায় পাসের জন্য তোলা হচ্ছে।
এই নিয়ম কার্যকর হলে ২০২৮ সালে নিজেদের মাটিতে অলিম্পিক হলেও ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জে.ডি. ভ্যান্স সেখানে রাষ্ট্রীয়ভাবে উপস্থিত থাকার অধিকার হারাতে পারেন। এমনকি চলতি বছরের ফুটবল বিশ্বকাপেও এর প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ওয়াডা সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) জানিয়েছে, এই নিয়মটি অতীতের কোনো ইভেন্টে প্রযোজ্য হবে না। তবে নথিপত্র বলছে, নিয়মটি পাস হলে তা ‘বিলম্ব না করে’ কার্যকর করা হতে পারে। আইওসি বা ফিফা এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
ওয়াডার মুখপাত্র জেমস ফিটজেরাল্ড, এটি কোনো নতুন বিষয় নয় এবং নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করে এই নীতিমালা করা হচ্ছে না। তবে মার্কিন সরকারের ন্যাশনাল ড্রাগ কন্ট্রোল পলিসির পরিচালক সারা কার্টার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তারা ওয়াডার হুমকির মুখে নতি স্বীকার করবেন না।
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য, বিকেএসপির সাবেক উপ-পরিচালক (প্রশিক্ষণ) ও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক অ্যাথলেট শামিমা সাত্তার মিমু শুক্রবার রাতে ঢাকায় নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বিষয়টি তাঁর ছেলে শাহরিয়ার শরীফ নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায় দীর্ঘদিন যাবৎ ভাটিকা ও হৃদরোগজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন শামিমা। মরহুমার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে দিনাজপুরে বাবার কবরের পাশে দাফন করার জন্য ঢাকার বাসভবন থেকে দিনাজপুরে নেওয়া হয়েছে।
শামিমা বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সাবেক কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি প্রশিক্ষক ও বিচারক হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা ও কর্মসূচিতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে, বিশেষ করে অ্যাথলেটিক্সের উন্নয়নে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তা, কোচ, অ্যাথলেট ও সংশ্লিষ্ট সকলেই গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের আবেদন করতে হয়। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রবর্তনের শুরু থেকেই এই নিয়ম বহাল আছে। অনেক খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সংগঠক এই নিয়মের বিরোধীতা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ক্রীড়াঙ্গনে সেরাদের অনেকে আবেদন করেননি। সাফ জয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজেও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবেদন করেননি। যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে আমিনুল হক এই নিয়মের পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন। এখন থেকে আর এই পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে হবে না ক্রীড়াবিদ কিংবা ক্রীড়া সংগঠকদের। একটি কমিটির মাধ্যমে সেরাদের মনোনীতদের করে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে তাঁদেরকে ভূষিত করা হবে। ২০১৬ সালে থেকে এই নিয়মে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানে রাজধানীর পল্লবীতে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেয়া ইফতার মাহফিলে এই ঘোষণা দিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এদিকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমে থাকা ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার আগামী জুন মাসে একসঙ্গে দেয়ার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‘খেলা হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই শ্লোগানে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রথম ধাপের দিনক্ষণ ঠিক করেছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় সফল ১৬৪ ক্রীড়াবিদকে পুরস্কার এবং বেতনের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনতে চান তিনি। আগামী ২৯ মার্চ একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সময়ের সেরা ক্রীড়াবিদদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মেধাবী ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করতে অনূর্ধ্ব-১২ থেকে অনূর্ধ্ব-১৪ নুতন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার জন্য ৭টি ডিসিপ্লিন চূড়ান্ত করেছে যুবও ক্রীড়া মন্ত্রানালয়। আগামী ৩০ এপ্রিল রাজধানীর বাইরে এই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া, গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।