২২ জুলাই ২০২৫, ৫:২৪ পিএম
২০২১ সালে আইসিসিতে বিড করে ২০২৪ থেকে ২০৩১, এই ৮ বছরের চক্রে আইসিসির দুটি মেগা আসরের স্বাগতিক মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০২৪ সালের অক্টোবরে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একক স্বাগতিক বাংলাদেশের ভাগে পড়েছে ২০৩১ সালে ভারতের সাথে আইসিসির সবচেয়ে বড় ইভেন্ট ওয়ানডে বিশ্বকাপের যৌথ স্বাগতিক মর্যাদা।
২০২৪ সালের অক্টোবরে ১০ দেশের আইসিসি উইমেন্স টি-টোয়েন্টিকে ঘিরে বড় অঙ্ক আয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘরের মাঠে আইসিসির এই মেগা আসরে টিকিট বিক্রির একক সত্ব থেকে মোটা অঙ্ক আয়ের টার্গেট ছিল বিসিবির। তবে সে লক্ষ্য পূরণ হয়নি।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন পরবর্তী দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আইসিসির দৃষ্টিতে সন্তোষজনক না থাকায় আইসিসি নারী বিশ্বকাপ টি-টোয়েন্টির ভেন্যু স্থানান্তরিত হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩ থেকে ২০ অক্টোবরে এই আসরের ম্যাচসমূহ অনুষ্ঠিত হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি ভেন্যু দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম এবং সারজা ক্রিকেট গ্র্যাউন্ডে। তবে শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম থেকে ম্যাচসমূহ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২টি স্টেডিয়ামে স্থানান্তরিত হলেও স্বাগতিক মর্যাদা হারায়নি বাংলাদেশ। ইভেন্ট হোস্ট ফি'র পুরোটা পেয়েছে বিসিবি। তবে দুবাই এবং সারজায় অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলোর টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের পুরোটা পায়নি বিসিবি। ফলে টিকিট বিক্রি থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারেনি বিসিবি।
ভেন্যু স্থানান্তর হলেও স্বাগতিক মর্যাদার সুবাদে টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের বড় একটা অংশ পেয়েছে বিসিবি। ইমিরেটস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) এক্ষেত্রে বড় ছাড় দিয়েছে। তাদের সঙ্গে দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা করে আইসিসির এই মেগা ইভেন্টের টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের ৫৫% বুঝে পেয়েছে বিসিবি। আইসিসির দেয়া হিসাব অনুযায়ী এই ইভেন্টে মোট টিকিট বিক্রি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুদ্রায় ৬ লাখ ৫৯৫.১৮ দিরহাম। যার মধ্যে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তি অনুযায়ী বিসিবির ভাগে পড়েছে ৩ লাখ ৩০ হাজার ৩২৭.৩৫ দিরহাম। অর্থাৎ ৭৩ হাজার ৬৪২ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশী মুদ্রায় ১ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা)। গত ৩০ জুন বিসিবির পরিচালনা পরিষদের সভার তা অবহিত করা হয়েছে।
ভিন দেশে আইসিসির মেগা ইভেন্ট আয়োজনের পরও টিকিট বিক্রির সিংহভাগ টাকা বিসিবির কোষাগারে জমা পড়ার কৃতিত্বটা অবশ্য বিসিবির সাবেক সভাপতি ফারুক আহমেদের। আইসিসির এই মেগা ইভেন্টের ভেন্যু স্থানান্তরিত হলেও এমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডকে টিকিট বিক্রির শেয়ারিং ফর্মুলায় রাজি করিয়েছিলেন তিনি। এই প্রতিবেদকতে তা বলেছেন ফারুক আহমেদ-' আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মর্যাদা যখন আইসিসি কেড়ে নেয়নি, তখন টিকিট বিক্রির সত্বও আমাদের দেয়া উচিৎ, এই দাবিতে দেন-দরবার করে বাংলাদেশের জন্য টিকিট বিক্রির বড় অংশ দিতে ইমিরেটস ক্রিকেট বোর্ডকে রাজি করিয়েছি।'
শুধু টিকিট বিক্রি থেকে আয়ের অংশটাই এই আসর থেকে বিসিবির একমাত্র আয়ের উৎস নয়। স্বাগতিক মর্যাদা পাওয়ার সুবাদে ইভেন্ট হোস্ট ফি খাতে আইসিসি থেকে বিসিবিকে দেয়া হয়েছে ৮ কোটি ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৫০০ টাকা। বিসিবির ২০২৩-২৪ অর্থবছরের অডিট রিপোর্টে তা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েও বাংলাদেশ নারী দল প্রাইজমানি হিসেবে পেয়েছে ৬৭ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র জয়ে যোগ হয়েছে আরও ৩১ হাজার ১৫৪ মার্কিন ডলার। সব মিলে আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট থেকে বিসিবির কোষাগারে জমা পড়েছে ১০ কোটি ৩৭ লাখ ১২ হাজার ১৪২ টাকা। টিকিট বিক্রির ৫৫% না পেলে একটু হতাশই হতে হতো বিসিবিকে।
২৯ আগস্ট ২০২৫, ১১:৪৩ পিএম
২৯ আগস্ট ২০২৫, ৮:২০ পিএম
ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানকে ৩৯ রানে হারিয়েছে পাকিস্তান। তাদের দেওয়া ১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৪৩ রানেই গুটিয়ে যায় আফগানরা।
জয়ের পর সাংবাদিকের করা প্রশ্নে কিছুটা মেজাজ হারালেন হারিফ রউফ। সংবাদ সম্মেলনে ম্যাচে বাজে ফিল্ডিং প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে ক্ষেপে যান পাকিস্তানি পেসার। হারিসের জবাব, ‘আমার মনে হয় আপনি ম্যাচটা ঠিকমতো দেখেননি। ফিল্ডিংয়ে আমাদের তেমন কোনো ভুল হয়নি। ম্যাচটা আবার দেখলে বুঝবেন ফিল্ডিং ভালোই ছিল।'
আরও পড়ুন
তামিম-জাওয়াদদের নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে শক্তিশালী দল |
![]() |
ত্রিদেশীয় সিরিজকে এশিয়া কাপের প্রস্তুতি বলায় ঘোর আপত্তি হারিসের, ‘আপনি বলছেন এটি প্রস্তুতির ম্যাচ ছিল, তবে আমি মনে করি, কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ প্রস্তুতি ম্যাচ হতে পারে না। চাপ থাকে প্রতিটি ম্যাচেই, আপনি এটাকে হালকাভাবে নিতে পারবেন না। দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলার চেষ্টা করাটাই আসল ব্যাপার।’
ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরুর আগে আফগানিস্তানকে এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল বলে আলোচনা হচ্ছিল। হারিসের কাছে জানতে চাওয়া হয় এই ম্যাচে পাকিস্তান আন্ডারডগ ছিল কি না? এই গতি তারকা বললেন, 'আমাদের চেয়ে কেউ ফেভারিট এটা আমি কখনোই ভাবিনি। আমরাই সবচেয়ে ফেভারিট।’
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আজ আরব আমিরাতের বিপক্ষে মাঠে নামবে পাকিস্তান।
২০২৬ যুব বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। সাউথ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ে সফর শেষে এবার ইংল্যান্ডে যাচ্ছে তারা। সেপ্টেম্বরে ইংল্যান্ড সফরে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবেন জাওয়াদ-তামিমরা।
আজিজুল হাকিম তামিমকে অধিনায়ক করে ইংল্যান্ড সফরের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে আরও পাঁচ ক্রিকেটার।
আগামী পরশু লন্ডনের উদ্দেশ্যে উড়ান ধরবে যুবারা। ৩ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে তারা।
আরও পড়ুন
মাদুশঙ্কার হ্যাটট্রিকে তীরে এসে তরি ডুবল জিম্বাবুয়ের |
![]() |
৫ সেপ্টেম্বর শুরু হবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ইংল্যান্ড সফরের ওয়ানডে সিরিজ। লাফবোরোর হাসলেগ্রেভ গ্রাউন্ডে হবে প্রথম ম্যাচ। একই ভেন্যুতে ৭ সেপ্টেম্বর হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে। ১০ সেপ্টেম্বর ব্রিস্টলের সিট ইউনিক মাঠে গড়াবে তৃতীয় ম্যাচ।
সিরিজের শেষ দুই ওয়ানডে হবে বেকেনহামে। ১২ সেপ্টেম্বর চতুর্থ ম্যাচ ও ১৪ সেপ্টেম্বর পঞ্চম ম্যাচ খেলবে দুই দল কেন্ট কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে।
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল:
আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার, সামিউন বসির, দেবাশীষ সরকার, রিজান হোসেন, আল ফাহাদ, স্বাধীন ইসলাম, মো. আব্দুল্লাহ, ফরিদ হাসান ফয়সাল, কালাম সিদ্দিকী, সানজিদ মজুমদার, রিফাত বেগ, শাহরিয়ার আল আমিন, সাদ ইসলাম রাজিন ও ফারহান শাহরিয়ার।
স্ট্যান্ডবাই
আহমেদ শাহরিয়ার, ফারজান আহমেদ আলিফ, শাহরিয়ার আজমির, রাফিউজ্জামান রাফি ও মো. সবুজ।
ওভারপ্রতি ৬-এর ওপরে রান দিচ্ছিলেন। তবু শেষ ওভারে অধিনায়ক চরিত আসালাঙ্কা আস্থা রাখলেন তাঁর ওপরে। দিলশান মাদুশাঙ্কাও যেন নিজের সেরাটা জমিয়ে রেখেছিলেন রঙিন শেষের জন্য। শেষ ৬ বলে জিম্বাবুয়ে প্রয়োজন ১০ রান। মাদুশঙ্কা হ্যাটট্রিকের বিপরীতে দিলেন মাত্র ২ রান।
শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে তরী এসে তরি ডুবল জিম্বাবুয়ের। ৭ রানে হেরে দুই ম্যাচের ওয়ানডের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ল তারা
জিম্বাবুয়ের জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখা সিকান্দার রাজাকে প্রথম বলে বোল্ড করে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেন মাদুশঙ্কা। পরের দুই বলে ব্র্যাড ইভানস ও রিচার্ড এনগারাভাকে ফেরান গোল্ডেন ডাকে। ২৯৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে ৮ উইকেটে ২৯১ রান করতে সক্ষম হয় জিম্বাবুয়ে।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বেন কারান ৭০, শন উইলিয়ামস ৫৭, রাজা ৮৭ বলে ৯২ এবং টনি মুনিওঙ্গা ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন। ৬২ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন মাদুশঙ্কা।
আরও পড়ুন
তামিম-জাওয়াদদের নিয়ে ইংল্যান্ড সফরে শক্তিশালী দল |
![]() |
হারারে স্পোর্টস ক্লাবে টস জিতে লঙ্কানদের আগে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় স্বাগতিকেরা। পাতুম নিসাঙ্কা, জেনিত লিয়ানাগে ও কামিন্দু মেন্ডিসের ঝোড়ো ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৯৮ রান সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি লঙ্কানদের ৯ রানের হারায় ওপেনার নিশান মাদুশকার উইকেট। প্রথম ৫ ওভার পর্যন্ত এক অঙ্কের ঘরে ছিল তারা। ১৩ বলে ০ রানে ফেরেন মাদুশকা। দ্বিতীয় উইকটে কুশল মেন্ডিস ও নিসাঙ্কার ১০০ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় সফরকারীরা।
কুশল ৩৮ ও নিসাঙ্কা করেন ৯২ বলে ৭৬ রান। সাদিরা সামারবিক্রমাও (৩৫) থিতু হয়ে ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। ৬ রানে আউট হন চরিত আসালাঙ্কা। ষষ্ঠ উইকটে লিয়ানাগে ও কামিন্দু ৮৩ বলে গড়েন ১৮৭ রানের অসাধারণ এক জুটি। তাতে স্কোরটা প্রায় তিন শ ছুঁই ছুঁই হয়।
লিয়ানাগে ৩ ছক্কা ও ৬টি চারে ৪৭ বলে করেন ৭০ রান। ২ ছক্কা ও ৪টি চারে ৩৬ বলে ৫৭ রান করেছেন কামিন্দু। ৩৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন এনগারাভা।
নিজেদের চেয়ে দুর্বল দলের বিপক্ষে অনেকবারই হেরেছে বাংলাদেশ দল। এ সব নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাও শুনতে হয়েছে বিভিন্ন সময়। সিলেটে কাল থেকে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। কোচ ফিল সিমন্স তাই সমালোচনার অগ্রীম আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন, ভালো না খেললে সমালোচনাই প্রাপ্য।
কিছুটা ভয়ও অবশ্য থাকার কথা, সবশেষ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ডাচদের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছিল বাংলাদেশ। তবে এবার শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের মতো বড় দুই দলকে সিরিজ হারিয়ে দারুণ আত্মবিশ্বাসী লিটনরা।
শ্রীলঙ্কা সফরে যে মানদণ্ডে দল খেলেছিল, সেটিই টেমপ্লেট হিসেবে সামনে রাখতে চান সিমন্স। সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে আজ বাংলাদেশ কোচ বলেন,
‘শ্রীলঙ্কায় যে মান আমরা মেলে ধরেছি, সেটিই ধারে রাখতে চাইব আমি। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের কিছুটাও বয়ে নিতে চাইব, যদিও ওই সিরিজে মিরপুরের উইকেট শ্রীলঙ্কার মতো অতটা ভালো ছিল না। শ্রীলঙ্কায় আমাদের ওই স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে চাই।’
আরও পড়ুন
ইংল্যান্ড দলে আছে বার্সা, নেই রিয়াল |
![]() |
বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ মনে করেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মান ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ডাচদের বিপক্ষে সিরিজে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ ফেভারিট। তবু প্রতিপক্ষকে হালকাভাবে নিতে নারাজ সিমন্স।
সিমন্স স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন- ভালো না খেলতে পারলে সমালোচনার ঝড় আসাটা স্বাভাবিক, আর সেটা মেনে নিতেই হবে,
‘অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে খেলেও সমালোচনা হয়, তাই নেদারল্যান্ডসের কাছে হারলে সমালোচনা হওয়া খুব খারাপ কিছু নয়। কারণ, যে দিন আমরা ভালো খেলতে পারব না, সেদিন সমালোচনা প্রাপ্যই। কিন্তু যদি আমরা আমাদের মান ধরে রাখতে পারি, আমি নিশ্চিত—জিতবই।’
আরও পড়ুন
সাঙ্ঘার সেঞ্চুরির পর দিপুর লড়াই |
![]() |
বাংলাদেশ এখানে অবশ্যই ফেবারিট। কিন্তু নেদারল্যান্ডসের রেকর্ডও দারুণ। গত দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তারা দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের মতো দলকে হারিয়েছে। নিয়মিতভাবেই বিশ্বকাপে তারা চমক দেখাচ্ছে। সিমন্সও সে ব্যাপারে সতর্ক,
‘তারা আন্তর্জাতিক মানের দল। টানা দুই বিশ্বকাপে খেলেছে, ভালো ফল করেছে। এখন আর কাউকেই খাটো করে দেখার সুযোগ নেই।’
বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজ শুধু জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, এশিয়া কাপেরও প্রস্তুতি। তবে সিমন্স আপাতত সেখানেই মন দিতে চাইছেন না,
‘চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় পৌঁছতে হলে তো আগে প্রাথমিক পর্ব উতরাতে হয়। কাজেই এশিয়া কাপ নিয়ে আমি ভাবছি না। এশিয়া কাপ আসবে এটির পরে। এটি আন্তর্জাতিক দলের বিপক্ষে একটি আন্তর্জাতিক সিরিজ। আমাদের মনোযোগও এই সিরিজে।’
২৬৬ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিংয়ের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশ ‘এ’ দলের। ডারউইনে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেটে ১০৬ রান করেছে সফরকারীরা। এখনো পিছিয়ে ১৬০ রানে। উঁকি দিচ্ছে ইনিংস হার।
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ হন ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়। প্রথম ওভারে ফেরেন ৪ রানে। তৃতীয় ওভারে দলীয় ৬ রানে ফেরেন তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নামা অমিত হাসান (০)।
থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি ওপনোর ইফতেখার হোসেন ইফতি। ৬৯ বলে ৩৫ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। চতুর্থ উইকেটে শাহাদাত হোসেন দিপুর সঙ্গে ৬৯ রানের একটি জুটি গড়েন ইফতি।
আরও পড়ুন
জিম্বাবুয়ের সামনে ৩০০ ছুঁই ছুঁই লক্ষ্য |
![]() |
৭৫ রানে ৩ উইকটে হারায় বাংলাদেশ। পঞ্চম উইকেটে ইয়াসির আলী রাব্বি (১৮) ও দিপু লড়াইয়ের চেষ্টা করছেন। ৩১ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন দুজনে। ৮৭ বলে ৪২ রানে অপরাজিত আছেন দিপু।
তার আগে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংস থামে ৩৮০ রানে। আগের দিন ৮৩ রানে অপরাজিত থাকা জ্যাসন সাঙ্ঘা আজ তুলে নিয়েছেন সেঞ্চুরি। ৩১ রানে অপরাজিত থাকা হ্যারি নিলসেন করেছেন ফিফটি।
২৩৫ বলে ১৪৩ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন সাঙ্ঘা। সেঞ্চুরি আশা জাগিয়েও ১৪৬ বলে ৮৬ রানে ফেরেন নিলসন। শেষ দিকে ৪৬ রান করেন হেনরি থরটন। তিনটি করে উইকটে নেন হাসান মুরাদ ও এনামুল হক। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ করে ১১৪ রান।
৪ দিন আগে
৪ দিন আগে
৫ দিন আগে
৭ দিন আগে
৯ দিন আগে
৯ দিন আগে
১১ দিন আগে
১১ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৪ দিন আগে
১৪ দিন আগে
১৫ দিন আগে
১৬ দিন আগে