
টেস্ট ক্রিকেটে চা বিরতির আগে সাকিব আল হাসান একাই করেছেন প্রায় ৩০ ওভার, শেষ কবে এমনটা দেখা গেছে? উত্তর খুঁজতে বেগ পাবারই কথা। কাউন্টিতে সারের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচের প্রথম দিন ঠিক সেটাই দেখা গেল। সমারসেটের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম দিনে দলের প্রায় এক তৃতীয়াংশ ওভারই করলেন বাংলাদেশ অলরাউন্ডার। আর শেষ সেশনের তিন উইকেট নিয়ে হলেন দলের সেরা বোলারও।
ইংলিশ কন্ডিশনে স্পিনারদের আধিপত্য বরাবরই কম৷ ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজের আগে মাত্র এক ম্যাচের জন্য সারের সাকিবকে মরিয়া হয়ে নেওয়ার মূল কারণ অবশ্য সেই স্পিনই। এই ম্যাচে দলটির একমাত্র স্বীকৃত স্পিনার তিনিই৷ আর সেটার বহিঃপ্রকাশ ঘটে প্রথম ঘন্টাতেই।
মাত্র ১১তম ওভারেই সাকিবকে আক্রমণে আনা হয়। সেই ওভারে চারটি ডট সহ দেন তিন রান। পরের ওভারে একটি বাউন্ডারি সহ হজম করেন ৭ রান। নিজের প্রথম পাঁচ ওভারে ২০ রান দেওয়া সাকিব পরের দুই ওভারে চেপে ধরেন ব্যাটারদের। রান বের করার কোনো সুযোগ না দিয়ে উপহার দেন টানা দুটি মেডেন ওভার।
আরও পড়ুন: নিশাঙ্কার সেঞ্চুরিতে ইংল্যান্ডকে ধরাশায়ী করল শ্রীলঙ্কা
টানা স্পেলে করা অষ্টম ওভারে সাকিব তিন সিঙ্গেলসে দেন তিন রান। পরের ওভারে নেন আরেকটি মেডেন। দশম ওভারে কিছুটা খরুচে ছিলেন, আসে ছয় রান। পরের ওভার থেকে আসেনি কোনো রান।
প্রথম স্পেল শেষের পর সাকিবের দ্বিতীয় স্পেল শুরু হয় মাঝে দুই ওভার (২৯ ও ৩০তম) বাদেই। ব্যক্তিগত দ্বাদশ ওভারে দেন মোটে এক রান। ১৩তম ওভারে ফের মেডেন আসে সাকিবের কাছ থেকে। পরের দুই ওভারে দেন চার রান। বাংলাদেশ অলরাউন্ডারের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ওভারটি আসে পরেরটিতেই। পরপর দুই বলে চার মারেন টম অ্যাবেল। সেই ওভার থেকে আসে ৯ রান।
পরের কয়েকটি ওভারে আঁটসাঁট বোলিংয়ের পর শেষ পর্যন্ত নিজের ২২তম ওভারে গিয়ে উইকেটের দেখা পান সাকিব। ক্লিন বোল্ড করেন ৪৯ রান করা অ্যাবেলকে। এই ওভারটিও হয় মেডেন। বাংলাদেশ তারকার পরবর্তী ওভারের চিত্রটাও ছিল একই।
চা বিরতির আগ পর্যন্ত এভাবেই একপ্রান্ত ধরে সাকিবকে দিয়ে বোলিং করায় সারে। ২৮ ওভারে ৭ মেডেন সহ ১ উইকেট নিতে গুনেন ৭৯ রান। ইকোনমি রেট মাত্র ২.৮২। প্রথম দুই সেশনে বল হাতে ব্যস্ত সময় পার করা সাকিব শেষ সেশনে বোলিংয়ে আসেন একদম শেষ বেলায়।

প্রথম দুই ওভারে দেন দশ রান। পরের ওভারে পান দ্বিতীয় উইকেটের দেখা। বড় শট খেলতে গিয়ে লাইন মিস করা ক্যাসি অ্যালড্রিজকে বোল্ড করেন ১৫ রানে। ক্রিজে গিয়ে সাকিবকে পাল্টা আক্রমণের চেষ্টা করা ক্রেইগ ওভারটন একটি চার মারলেও সুবিধা করতে পারেননি। স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন ওই ওভারেই।
এরপর দিনের শেষ ওভারে রান্ডেলকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলে সমারসেটের ইনিংসের ইতি টানেন সাকিবই। ৫ উইকেটে ৩০৫ থেকে মাত্র ১২ রানে শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়েছে দলটি।
তাতে প্রথম ইনিংসে সাকিবের ফিগারটা বেশ ভালোই দাঁড়িয়ে গেছে : ৩৩.৪-৭-৯৭-৪।
সমারসেট প্রথম ইনিংসে ৯৫.৪ ওভারে করেছে ৩১৭ রান। দলীয় সর্বোচ্চ ১৩২ রান করে শেষ বেলায় আউট হয়েছেন টম ব্যান্টন।
No posts available.
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৫২ পিএম
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৩১ পিএম

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে যে হাইপ, তার সিকিভাগও দেখা যায়নি দশম বিশ্বকাপে। সবশেষ পাঁচটি টি-টোয়েন্টির ফলের প্রতিফলন ঘটেছে আজ ষষ্ঠ ম্যাচে। মুখোমুখি লড়াইয়ে অসম পরিসংখ্যানে নিজেদের পাল্লা আরও ভারি করলো ভারত। কলম্বোতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে সূর্যকুমার যাদবদের জয় ৬১ রানে।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় আজ বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে সাতটায় মুখোমুখির আগে হারের বৃত্ত ভাঙার চ্যালেঞ্চে নেমেছিল সালমান আলী আগার দল। এর আগে সবশেষ ২০২২ সালে প্রতিবেশীদের বিপক্ষে জিতেছিল তারা। এরপর কেটে গেছে তিনটি বছর। পাকিস্তান হেরছে পাঁচটি ম্যাচ। এবার ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে বাবর আজমরা সর্বসাকুল্যে নিতে পেরেছেন ১১৪ রান।
এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান। শুরুর ওভারে অভিষেক শর্মাকে হারিয়ে হোঁচট খেলেও ব্যাটিং ঝড় তোলেন ইশান কিশান। ৭৭ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। পথিমধ্যে বেশ কিছু কীর্তি ও রেকর্ডের সাক্ষী হন।
ভারত–পাকিস্তান টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ারপ্লেতে নতুন রেকর্ড গড়েছেন কিশান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারে তিনি করেন ৪২ রান। যা দুই দেশের ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ।
আজ ২৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন কিশান। ভারত-পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে এটি তৃতীয় দ্রুততম। এর আগে ২০১২ সালে ২৩ বলে ফিফটি করেছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ। গত বছর দুবাইয়ে ২৪ বলে ফিফটি করেন অভিষেক।
কিশান আরও একটি কীর্তিতে নাম লিখিয়েছেন। দুই দেশের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ রানের দৌড়ে নিজেকে রেখেছেন কোচ গৌতম গম্ভীরের ওপরে। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন গম্ভীর। আজ কিশান খেলেছেন ৭৭ রানের ইনিংস। এ তালিকায় শীর্ষে বিরাট কোহলি। মেলবোর্নে ২০২২ সালে অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
দলীয় ৮৮ রানে কিশান ফিরলেও রানচাকা সচল রেখেছিলেন তিলক ও সূর্যকুমার যাদব। তবে দলীয় ১২৬ রানের মাথায় তিলক ও পাণ্ডিয়াকে ফিরিয়ে ভারতকে ব্যাকফুটে ফেলে দেন সাইম আইয়ুব। মাঠ ছাড়া হওয়ার আগে ২৪ বলে ২৫ রান করেন তিলক। পাণ্ডিয়ার ভাগ্যে ‘ডাক’।
রানচাকা খানিক সময়ের জন্য থেমে গেলেও সূর্যকুমার ও দুবে এবং শেষদিকে রিঙ্কু মিলে দলকে টেনে তোলেন। ভারতের অধিনায়ক ২৯ বলে করেন ৩২ রান। দুবে ১৭ বলে ২৭ এবং রিঙ্কুর ব্যাট থেকে আসে ৪ বলে ১১ রান। শেষ পর্যন্ত ১৭৫ রান সংগ্রহ তোলে ভারত।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন আগা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারেক।
রান তাড়ায় নেমে ইনিংসের তৃতীয় বলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় পাকিস্তান। পাঁচ ওভারের মধ্যে আরও তিন টপঅর্ডার বাইশগজ ছাড়া হন। তবে কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন উসমান খান ও শাদাব খান। ৩৪ রানে চতুর্থ উইকেট হারানো দলটি পাওয়ার প্লে শেষ করে ৩৮ রানে। দুজন মিলে ৩৯ রানের জুটি গড়েন উসমান ফেরার আগ পর্যন্ত।
৭৮ রানে ষষ্ঠ উইকেট খোয়ানো পাকিস্তান রানের চাকা ঘোরার আগেই হারিয়েছে সপ্তম উইকেটও। ১৩তম ওভারের প্রথম বলে তিলক বর্মার স্পিনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে শিবম দুবের আরেকটি ক্যাচ আউট হয়েছেন শাদাব। শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানকে ১১৪ রানে অলআউট করে ৬১ রানে ম্যাচটি জিতল ভারত।

আগামী ১০ মার্চ বাংলাদেশ সফর করবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) আয়োজনের পরিকল্পনা বিসিবির।
দশম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল না খেলায় ক্রিকেটাররা এখন বিশ্রামে। এ সুযোগে ওয়ানডে ফরম্যাটে বিসিএল আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটি। আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে শেষ হবে ৪ মার্চ। ফাইনাল বাদে সবগুলো ম্যাচ হবে রাজশাহী ও বগুড়ায়।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা দিলেও আজ চার দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। যেখানে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের অংশ হিসেবে টুর্নামেন্ট থেকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে ফাস্ট বোলার তাসকিন আহমেদকে। আর চোটের কারণে থাকছেন না ব্যাটসম্যান মাহমুদুল হাসান জয়। বিপিএলের সর্বশেষ আসরে সুযোগ না পাওয়া এনামুল হক বিজয় ও মোসাদ্দেক খেলবেন বিসিএলে।
বিসিএলে সাউথ জোনের দলপতি মেহেদী হাসান মিরাজ, নর্থ জোনের নাজমুল হোসেন শান্ত, ইষ্ট জোনের ইয়াসির আলী চৌধুরী এবং সেন্ট্রাল জোনের মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন।
বিসিএলের ৪ দলের স্কোয়াড:
ইষ্ট জোন: পারভেজ হোসেন ইমন, জাকির হাসান, অমিত হাসান, মমিনুল হক, ইয়াসির আলী রাবিব, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, শাহাদাত হোসেন দিপু, আসাদুল্লাহ আল গালিব, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তানজিম হাসান সাকিব, খালেদ আহমেদ, নাসুম আহমেদ, নাঈম হাসান ও নাইম হাসান সাকিব।
নর্থ জোন: তানজিদ হাসান তামিম, হাবিবুর রহমান সোহান, লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহীদ হৃদয়, আকবর আলী, সাব্বির রহমান, শেখ মেহেদী, এসএম মেহেরব হোসেন অহিন, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
সাউথ জোন: সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয়, জাওয়াদ আবরার, আজিজুল হাকিম তামিম, মোহাম্মদ মিঠুন, আফিফ হোসেন, মেহেদী হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান হোসান, সামিউন বশির রাতুল, তানভির ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, রবিউল হক, রেজাউর রহমান রাজা, রুয়েল মিয়া ও স্বাধীন ইসলাম।
সেন্ট্রাল জোন: সাইফ হাসান, নাইম শেখ, জিসান আলম, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, ইরফান শুক্কুর, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, রাকিবুল হাসান, রিজান হোসেন, আবু হায়দার রনি, ইবাদত হোসেন, রিপন মণ্ডল, মারুফ মৃধা ও ওয়াসি সিদ্দিকী।

হাইভোল্টেজ ম্যাচ। উত্তেজনার পারদ ছড়িয়ে পড়েছিল কলম্বো ছুঁয়ে ক্রিকেটপাগল দেশগুলোতে। এমন এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ের দোরগোড়ায় ধাক্কা খায় ভারত। ইনিংসের প্রথম ওভারে অভিষেক শর্মাকে হারিয়ে বিপাকে পড়া ম্যান ইন ব্লুদের ঠিকই দু’দণ্ড স্বস্তি এনে দেন ইশান কিশান। দারুণ সব কীর্তি-রেকর্ডের দিনে ভারতকে ১৭৫ রানের পুঁজি এনে দেন ভারতের অভিজ্ঞ এই উইকেটকিপার ব্যাটার।
কলম্বোর প্রেমাদাসায় ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে সালমান আলী আগার বলে ক্যাচ তুলে আউট হন অভিষেক শর্মা। পেটের পীড়া ও জ্বরের কারণে নামিবিয়া ম্যাচে খেলতে না পারা এই তরুণ ওপেনার ফেরেন পাকিস্তান ম্যাচে। ছয় বল মোকাবিলা করলেও স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ করতে পারেননি তিনি।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টেস্ট খেলুড়ে দলগুলোর খেলোয়াড়দের মধ্যে দুই ম্যাচেই শূন্য রানে আউট হয়েছেন—এমন ব্যাটারদের তালিকায় নাম লেখালেন তিনি। এর আগে স্বদেশি আশীষ নেহরা ও বাংলাদেশের সাবেক ওপেনার ইমরুল কায়েস এমন অঘটনের সাক্ষী হন।
শুরুতে হোঁচটের পর তিলক ভার্মাকে নিয়ে পথচলা শুরু করেন অভিষেক। এই জুটি থেকে আসে ৮৭ রান। ৭৭ রানে সাইম আইয়ুবের বলে কিশান বোল্ড হলে দ্বিতীয় জুটি ভাঙে। কিশান ফেরার পথে সঙ্গী করেন বেশ কিছু কীর্তি আর রেকর্ড।
ভারত–পাকিস্তান টি-টোয়েন্টিতে পাওয়ারপ্লেতে নতুন রেকর্ড গড়েছেন কিশান। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ইনিংসের প্রথম ছয় ওভারে তিনি করেন ৪২ রান। যা দুই দেশের ম্যাচে পাওয়ারপ্লেতে কোনো ব্যাটসম্যানের সর্বোচ্চ। এর আগে রেকর্ডটি ছিল ভারতেরই শুভমান গিলের। ২০২৫ সালে এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাওয়ারপ্লেতে তিনি করেছিলেন ৩৫ রান।
আজ ২৭ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেছেন কিশান। ভারত-পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে এটি তৃতীয় দ্রুততম। এর আগে ২০১২ সালে ২৩ বলে ফিফটি করেছিলেন পাকিস্তানের মোহাম্মদ হাফিজ। গত বছর দুবাইয়ে ২৪ বলে ফিফটি করেন অভিষেক।
কিশান আজ আরও একটি কীর্তিতে নাম লিখিয়েছেন। দুই দেশের প্রতিযোগিতায় সর্বোচ্চ রানের দৌড়ে নিজেকে রেখেছেন কোচ গৌতম গম্ভীরের ওপরে। ২০০৭ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন গম্ভীর। আজ কিশান খেলেছেন ৭৭ রানের ইনিংস। এ তালিকায় শীর্ষে বিরাট কোহলি। মেলবোর্নে ২০২২ সালে অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
দলীয় ৮৮ রানে কিশান ফিরলেও রানচাকা সচল রেখেছিলেন তিলক ও সূর্যকুমার যাদব। তবে দলীয় ১২৬ রানের মাথায় তিলক ও পাণ্ডিয়াকে ফিরিয়ে ভারতকে ব্যাকফুটে ফেলে দেন সাইম আইয়ুব। মাঠ ছাড়া হওয়ার আগে ২৪ বলে ২৫ রান করেন তিলক। পাণ্ডিয়ার ভাগ্যে ‘ডাক’।
রানচাকা খানিক সময়ের জন্য থেমে গেলেও সূর্যকুমার ও দুবে এবং শেষদিকে রিঙ্কু মিলে টেনে তোলেন। ভারতের অধিনায়ক ২৯ বলে করেন ৩২ রান। দুবে ১৭ বলে ২৭ এবং রিঙ্কুর ব্যাট থেকে আসে ৪ বলে ১১ রান। শেষ পর্যন্ত ১৭৫ রান সংগ্রহ তোলে ভারত।
পাকিস্তানের হয়ে সাইম সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন আগা, শাহিন আফ্রিদি ও উসমান তারেক।

পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক শর্মা খেলবেন কি না— এ নিয়ে শঙ্কা ছিল ব্যাপক। পেটের পীড়া ও জ্বরের কারণে ভারতের গত ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে খেলতে পারেননি তিনি। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে খেলেছিলেন হাফ ফিট অবস্থায়। তবে তৃতীয় ম্যাচে অসুস্থ শরীর নিয়ে খেলতে নেমে ফিরলেন খালি হাতে।
ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখিতে টস হেরে পাকিস্তানের আমন্ত্রণে ভারতের হয়ে ওপেনিংয়ে নামেন অভিষেক ও ঈশান কিশান। সালমান আলী আগার করা ইনিংসের প্রথম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন অভিষেক। তিনে নেমেছেন তিলক বর্মা।
কলম্বোতে বাংলাদেশ সময় সাড়ে সাতটার ম্যাচে টস হারলেও ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইনআপ। তাদের কাছে টস হয়তোবা বড় কোনো ব্যাপার নয়। একাদশে ফিরেছেন বিধ্বংসী অভিষেক শর্মা ও অভিজ্ঞ কুলদীপ যাদব। বাদ পড়েছেন সঞ্জু স্যামসন ও আর্শদীপ সিং। জ্বরের কারণে আগের ম্যাচে দলে ছিলেন না অভিষেক। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়ে স্যামসনও ছিলেন উজ্জ্বল। তবে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা অভিষেকের কাছে জায়গা করা হারাতে হলো স্যামসনকে।
অভিষেক ছাড়াও ইশান কিশান, তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবাম দুবে, রিঙ্কু সিং, অক্ষর প্যাটেলের মতো ব্যাটারর রয়েছেন ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে।
আলোচনা হচ্ছিল ‘ব্যাটল অব স্পিন’। কন্ডিশন বিবেচনায় আর্শদীপ বাদ পড়লেন। বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার কুলদীপ ফিরলেন একাদশে। বোলিংয়ে স্পিন আক্রমণে অক্ষর, কুলদীপ, বরুন চক্রবর্তী,। পেস আক্রমণে জসপ্রিত বুমরার সঙ্গে সমর্থন দেবেন পান্ডিয়া। বেশ ভারসাম্যপূর্ণ একাদশ ভারতের।
পাকিস্তানের একাদশে নেই কোনো পরিবর্তন। সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচের দল নিয়েই মাঠে নামছে তারা। ব্যাটিংয়ে সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান, বাবর আজম, উসমান খান (উইকেটকিপার), শাদাব খান, ফাহিম আশরাফরা আছেন।
আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাদাব খান ও সাইম আইয়ুবকে নিয়ে দুর্দান্ত স্পিন বৈচিত্র্য পাকিস্তানের। পেসে আক্রমণে শহিনের সঙ্গে ফাহিম।

ঐতিহাসিক উত্তেজনার ম্যাচ! টস হয়ে গেল, জিতলেন সালমান আলী আগা—ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানালেন ভারতকে। টস প্রেজেন্টারের সঙ্গে একাদশ ও কন্ডিশনের ব্যাখ্যা দিয়েই সূর্যকুমারের পাশ দিয়ে চলে গেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক। ‘নো হ্যান্ডশেক’! শুরুতেই বজায় থাকলো ভারত-পাকিস্তানের সেই চিরচেনা বৈরিতা।
টস হারলেও ভারতের বিশ্বসেরা ব্যাটিং লাইনআপ। তাদের কাছে টস হয়তোবা বড় কোনো ব্যাপার নয়। একাদশে ফিরেছেন বিধ্বংসী অভিষেক শর্মা ও অভিজ্ঞ কুলদীপ যাদব। বাদ পড়েছেন সঞ্জু স্যামসন ও আর্শদীপ সিং। জ্বরের কারণে আগের ম্যাচে দলে ছিলেন না অভিষেক। তাঁর জায়গায় সুযোগ পেয়ে স্যামসনও ছিলেন উজ্জ্বল। তবে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা অভিষেকের কাছে জায়গা করা হারাতে হলো স্যামসনকে।
অভিষেক ছাড়াও ইশান কিশান, তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার, হার্দিক পান্ডিয়া, শিবাম দুবে, রিঙ্কু সিং, অক্ষর প্যাটেলের মতো ব্যাটারর রয়েছেন ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে।
আলোচনা হচ্ছিল ‘ব্যাটল অব স্পিন’। কন্ডিশন বিবেচনায় আর্শদীপ বাদ পড়লেন। বাঁহাতি রিস্ট স্পিনার কুলদীপ ফিরলেন একাদশে। বোলিংয়ে স্পিন আক্রমণে অক্ষর, কুলদীপ, বরুন চক্রবর্তী,। পেস আক্রমণে জসপ্রিত বুমরার সঙ্গে সমর্থন দেবেন পান্ডিয়া। বেশ ভারসাম্যপূর্ণ একাদশ ভারতের।
পাকিস্তানের একাদশে নেই কোনো পরিবর্তন। সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে জয় পাওয়া ম্যাচের দল নিয়েই মাঠে নামছে তারা। ব্যাটিংয়ে সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান, বাবর আজম, উসমান খান (উইকেটকিপার), শাদাব খান, ফাহিম আশরাফরা আছেন।
আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, মোহাম্মদ নওয়াজ, শাদাব খান ও সাইম আইয়ুবকে নিয়ে দুর্দান্ত স্পিন বৈচিত্র্য পাকিস্তানের। পেসে আক্রমণে শহিনের সঙ্গে ফাহিম।
পাকিস্তানের একাদশ: সাইম আইয়ুব, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), বাবর আজম, উসমান খান (উইকেটকিপার), শাদাব খান, ফাহিম আশরাফ, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সালমান মির্জা, আবরার আহমেদ, উসমান তারিক।
ভারতের একাদশ: অভিষেক শর্মা, ইশান কিশান (উইকেটকিপার), তিলক ভার্মা, সূর্যকুমার যাদব (অধিনায়ক), হার্দিক পান্ডিয়া, শিবাম দুবে, রিঙ্কু সিং, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, বরুন চক্রবর্তী, জসপ্রিত বুমরা।